Showing posts with label দিনবাজার. Show all posts
Showing posts with label দিনবাজার. Show all posts

Monday, October 11, 2010

"শেষ রবিবার"

জলপাইগুড়ি, ১০ অক্টোবরঃ- পূজোর আগে শেষ রবিবার জলপাইগুড়ির, কদমতলা, ডি বি সি রোডে, দিন বাজারে উপচে পড়ার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পুজোর বাজার করতে আশেপাশের গ্রাম থেকে বৌ-বাচ্চা, কচি কাচাদের নিয়ে বহু মানুষ ভিড় করেছে শহরে। তার সাথে সাইকেল, রিকশা, গাড়ি, স্কুটারের যানজটে শহর যেন স্তব্ধ। এত ভিড়, গরম ঠেলে মানুষের উৎসাহ দেখে মনে হয় সার্বজনীন দূর্গা পুজোর আর দেরী নেই। সবাই জাতি-ধর্ম, হিংসা, রাগ-ঢাক ভুলে আসন্ন পূজো উপলক্ষে মেতে উঠেছে। শেষ রবিবার তার আগে যার যা, যেটুকু বাদ আছে তা যেন বাদ না পড়ে।
ডি বি সি রোডে এক জুতা প্রস্তুতকারক বাচ্ছাদের আকর্ষন বাড়ানর জন্য দু-জন জোকারের আয়োজন করেছে। তারা বাচ্ছাদের সাথে হাত মেলাচ্ছে, তাদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কেউ কেউ ভয়ে কাদঁতে শুরু করেছে। তার সাথে সাথে রাস্তার দু ধারে খাবারের দোকানে ভিড়। সব মিলে রবিবারের ভিড় ছিল চোখে পরার মতো।

Thursday, July 29, 2010

"নিখোজ জলপাইগুড়ির এক কাপড় ব্যবসায়ী"

জলপাইগুড়ি, ২৯শে জুলাইঃ গত সোমবার কোচবিহার থেকে ব্রক্ষ্মপুত্র মেলে জলপাইগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পরেও বাড়িতে পৌছেতে পারেননি বিকাশ অগ্রবাল। বিকাশ আগ্রবাল একজন কাপরের ব্যবসায়ী, দিন বাজারের বাসিন্দা।  ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোজ হয়েছেন বিকাশ আগ্রবাল। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি ২টা নাগাদ রোড স্টেশনে পৌছলেও ট্রেনে বিকাশ বাবুকে দেখা যায়নি। ঘটনা কালিন বিকাশ বাবু বাড়িতে ফোন করে ফেরার কথা জানান এবং ট্রেনটি লেট থাকায় বাড়ির লোককে গাড়ি নিয়ে স্টেশনে  থাকার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু ওই ট্রেনে বিকাশ বাবু কে পাওয়া যায়নি। বিকাশ বাবুর বাবা মহেশ বাবু মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় বিকাশের নিখোঁজের ডায়েরি করেন। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বিকাশ বাবু খুব শীঘ্রই বাড়ি ফিরে আসবে, পুলিশ কর্তৃপক্ষ কথার উপর  আশা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই বিকাশ বাবুর পরিবারের লোকেদের।

Thursday, May 20, 2010

"চক্রান্ত করে সাম্রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা, প্রয়জনে বলপ্রয়োগ"

জলপাইগুড়ি, ২০ মেঃ   গত ১লা মে জলপাইগুড়ির কোন একটি বানিজ্যিক ভবনে এক জনসভার আয়োজন করেন দিনবাজার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়। ঐ সভায় উপস্থিত হয় ১২১ জন মারোয়ারী ব্যবসায়ী। এই সমাবেশের উদ্যোগতা ছিলেন শহরের একজন নামি ঠিকাদার, একজন স্বর্ন ব্যবসায়ী এবং একজন বিস্কুট ব্যবসায়ী। এরা সকলেই ছিলেন অবাঙালি। কেন এই জনসভা তা অনেকেই জানত না। অনেকে ভেবেছিলেন কোন সংগঠনমূলক কাজের প্রস্তাব এই সভার মূল বিষয় হতে পারে। কিন্তু এমন একটি প্রস্তাব সমাবেশে তুলে ধরা হয় যা অনেককেই স্তম্ভিত করে দিয়েছিল।
আয়োজকরা সভাতে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সম্মুখে শহরে মারোয়ারীদের আধিপত্ত ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। এর জন্য টাকা খরচ করে লোভী বিহারি, ও বাঙালি দের কব্জায় আনতে হবে বলেও তারা প্রস্তাব রাখেন। তার ফলে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জেতানো যাবে এবং তাতে শহরের মারোয়ারী ব্যবসায়ীদের ক্ষমতা বাড়বে আর সেটাই হবে জলপাইগুড়ি শহরে মারোয়ারী রাজ্যের প্রথম ধাপ।
টাকা দিয়ে লোভী বিহারী ও বাঙালিদের কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি শিলিগুড়ি থেকে 'ভাড়া করা মাসলম্যান' নিয়ে আসবেন এবং ভোটের কয়েকদিন আগেই এদের কর্মকান্ড চলবে বলে তারা বলেছেন। গরীব বিহারি ও বাঙালিদের টাকা দিয়ে কেনার প্রস্তাবে রাজি না হলে প্রয়জনে তারা বল প্রয়োগ করতেও পিছপা হবে না বলে জানিয়েছেন।
এই প্রস্তাব শুনেই সভার বেশিরভাগ মারোয়ারী ব্যবসায়ীগন সভা ছেড়ে চলে যায়। কারা এই সভা ডেকেছে তাদের নাম এখনো জানা জায়নি। শুবুদ্ধি সম্পন্ন কিছু মারোয়ারী জনগন ৫ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সন্দীপ মাহাতোকে একথা জানালে তিনি উপযুক্ত ব্যাবস্থাও নিতে শুরু করেছেন। উক্ত ঘটনার জন্য মারোয়ারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কারন তারা নিজেদের এই শহরের স্থায়ী বাসীন্দা বলে মনে করেন। এইরকম হিংসাত্বক ঘটনা জলপাইগুড়ির ইতিহাসকে কালিমা লিপ্ত করছে।

Thursday, May 6, 2010

"বেগুনটারি মোড়ে বাস দুর্ঘটনায় মৃত এক ব্যাক্তি"

জলপাইগুড়ি, ৬ মেঃ  আজ সকাল ১১ টা নাগাদ জলপাইগুড়ি বেগুনটারি মোড়ের কাছে একটি বাস দুর্ঘটনায় প্রান হারিয়েছেন অসিত চক্রবর্তী(৪৮) নামে এক ব্যাক্তি। মৃত ব্যাক্তির বাড়ি নিউটাউন পাড়ায়।

বেগুনটারি মোড় সংলগ্ল সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল এবং সোনাউল্লা হাই স্কুল। পাশাপাশি অবস্থিত দুই স্কুলের মাঝ বরাবর রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন ধরে বালি, পাথর ঢিবি করে রাখা থাকে। প্রতিদিন ঐ রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় যানযটের সমস্যা যেমন হয়েই থাকে তেমনি ছোট খাট দুর্ঘটনাও লেগে আছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এরকম অবস্থা থাকা সত্বেও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়না।
আজ সকালে দিনবাজারে বাজার করতে যান অসিত চক্রবর্তী। তিনি বাড়ি ফেরার সময় ওদলাবাড়ি গামী একটি বাস ঐ রাস্তায় পাথর ও বালি থাকার জন্য নিয়ন্ত্রন হারায় এবং অসিত চক্রবর্তীর সঙ্গে  ধাক্কা লাগে এবং ঘটনাস্থলেই প্রান হারান তিনি। ক্ষিপ্ত জনসাধারন এবং পুলিশ মিলে বাসটিকে আটক করলেও ড্রাইভার পলাতক। দুর্ঘটনার পর সেখানে উপস্থিত হন বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়। তবে তার কাছ থেকে এখনো কিছু জানা জায়নি।


Saturday, April 17, 2010

"বেহাল অবস্থা কমলা নেহেরু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের"

জলপাইগুড়ি, ১৭ এপ্রিলঃ   দিনবাজার করলা নদীর ধারে স্ববজি বাজারের পাশে কমলা নেহেরু প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাঁচ কাঠা জমির উপরে স্কুলের নিজস্ব অবস্থান। দু কাঠা জমির উপর স্কুলের ক্লাসরুম এবং স্কুলের অফিস। বাকি অংশ পৌরসভার দখলে। শৌচাগারের ব্যাবস্থা থাকলেও তা অস্বাস্থকর। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে বসার জন্য কোন বেঞ্চ টেবিল কিছু নেই এবং মিড ডে মিলেরও কোন ব্যাবস্থা নেই। ছাত্রছাত্রী সংখ্যা মোট ১৭৫ জন কিন্তু স্কুলে নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জনের মত।
এখানকার সমস্ত ছাত্রছাত্রী দরিদ্র পরিবারের এবং ডোম ও নিষিদ্ধ পল্লী থেকে আসা। তাদের অভিভাবকরা ছেলেমেয়ে দের স্কুলে পাঠালেও সেই স্কুলের এরকম শোচনীয় অবস্থা। পরিকাঠামো উন্নতির জন্য স্কুল ফান্ডে টাকা আসলেও স্কুলের তরফ থেকে কোন কাজ না করার জন্য টাকা ফেরৎ চাইছে সাহাজ্যকারী সংস্থা।
বাজারের পাশে স্কুলের অবস্থান হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে বলে স্কুল দাবি করছে, অন্যদিকে স্কুলের তরফ থেকে কোন উন্নতির ব্যাবস্থা না নেওয়ার জন্য নারাজ স্থানীয় মানুষরাও। তবে কিছু সংখ্যক লোক স্কুলের উন্নতির জন্য সমবেদনা জানালেও স্থানীয় কাউন্সিলরের স্কুল উন্নতির পরিকাঠামো নিয়ে কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন।
কমলা নেহেরু বিদ্যালয়

Wednesday, February 3, 2010

"করলার দূষন নিয়ে বুদ্ধের দ্বারস্থ"

জলপাইগুড়ি ৩ ফেব্রুয়ারিঃ  জলপাইগুড়ি শহরের বুক চিরে বয়ে চলেছে করলা নদী। নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়জনীয় উদ্যোগ গৃহীত না হওয়ায় সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। নদীর সংলগ্ন এলাকায় বেআইনিভাবে ধান চাষ হচ্ছে এবং চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কীটনাশক নদীর জলে মিশে দুষনের মাত্রা বৃদ্ধি করছে। শহরের দিনবাজার সংলগ্ন এলাকার সবজি বাজার এলাকায় দূষনের জন্য যাতায়াত করা দুর্বিষহ। দূষন রোধে পদক্ষেপের ব্যাপারে মন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে সরকারি আধিকারিকদের প্রতিশ্রুতির শেষ নেই।

করলা নদীকে ঘিরে জলপাইগুড়ি শহরের উন্নতির সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো হচ্ছেনা। তাই দূষন রোধে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্বারস্থ হচ্ছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশন। দষন নিয়ে উদ্‌বিগ্ন শহরবাসীদের উদ্‌বেগমুক্ত করার জন্য সরকার কি করে-- তার দিকে তাকিয়ে জলপাইগুড়ি

Wednesday, January 13, 2010

"বর্তমান যুগেও কদর কমেনি সরার'

জলপাইগুড়ি, ১২ জানুয়ারীঃ   বিশ্বায়নের যুগ,  প্রযুক্তির অনেক অগ্রগতি হয়েছে। কাঠ এবং কয়লার পরিবর্তে সবাই এখন রান্নার গ্যাস ব্যবহারেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। পৌষ পার্বনের পিঠে এখন বাজারে কিমবা মিষ্টির দোকানে বিক্রি হলেও, বাড়িতেই অধিকাংশরা মাটির সরায় সংক্রান্তির দিনে পিঠে তৈরির নিয়মের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগ্রহী। ফলে জলপাইগুড়িতে সরা বিক্রেতাদের বাজার এখন ভালোই। ময়নাগুড়ি, রাহুতবাগান সহ সংলগ্ন এলাকার কুমোরদের কারখানা থেকে সরা আসছে বাজারে। জলপাইগুড়ি দিনবাজার, বৌবাজার, পান্ডাপাড়া, স্টেশনপাড়া, বয়েলখানা বাজারে পৌষ পার্বনের দুদিন আগে থেকেই সরার বিক্রি বেড়ে গেছে।


পৌষ পার্বন বাঙালীদের একটি অন্যতম উৎসব। এই দিনটিতে প্রত্যেক বাঙালী তাদের নিয়ম অনুযায়ী উৎসবের ধারা বজায় রাখতে আগ্রহী। সুতরাং, তারা তাদের উপকরন সামগ্রী পেয়ে খুশি। এবং সরা বিক্রেতারাও তাদের ভালো ব্যাবসার জন্য একমত।

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)