Showing posts with label ভারত. Show all posts
Showing posts with label ভারত. Show all posts

Monday, July 11, 2011

রাষ্ট্র সংগের সমীক্ষা বলছে......

জলপাইগুড়ি, ১১জুলাইঃ- রাষ্ট্রসংঘের সমীক্ষায় বলছে আগামী ২০১৫ সালের মধ্যে ভারত চরম দারিদ্র থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবে। ভারতে শতকরা হিসাবে দেখা যায় ৫১% লোক দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছে। ২০১৫ সালের মধ্যে তা নেমে আসবে ২২ শতাংশে। দারিদ্রসীমা থেকে বেড়িয়ে আসলেও, লিঙ্গবৈষম্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে পাহাড় সমান বৈষম্য নিয়ে পাহাড় সমান বৈষম্য থেকেই যাবে।

Thursday, April 29, 2010

"অবশেষে জামিন হল ব্যবসায়ীদের"

জলপাইগুড়ি, ২৯ এপ্রিলঃ   শেষ পর্যন্ত জামিন হল ধৃত ব্যাবসায়ীদের। কিছুদিন আগে সমাজপাড়ায় আইনজীবী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দু পক্ষের বিরুদ্ধেই অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযুক্ত আইনজীবী জামিনে মুক্তি পেয়ে গেলেও ব্যবসায়ীদের আইনজীবীর অভাবে জামিন না মঞ্জুর হয়ে যায়। গত সোমবার ধৃতদের জামিন হয়ে যাবে বলে জানা গেছিল কিন্তু তা না হওয়ায় এবং মঙ্গলবার ভারত বন্ধ থাকার জন্য অফিস আদালত বন্ধ থাকে। তাই গতকাল সন্ধায় শেষ পর্যন্ত ধৃতদের জামিন হয়।

Friday, April 2, 2010

‘বায়োমেট্রিক’ আদমশুমারি শুরু

ভারত সরকার গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ১৫তম আদমশুমারি শুরু করেছে। তবে বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে এবারের আদমশুমারিটি কিছুটা ভিন্ন। এটাই দেশের প্রথম ‘বায়োমেট্রিক’ আদমশুমারি। এবারের শুমারিতে ১৫ বছরের বেশি বয়সের সব নাগরিকের ছবি ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হবে এবং এর মাধ্যমে তৈরি করা হবে জাতীয় বায়োমেট্রিক তথ্যভান্ডার। আর এ তথ্য ব্যবহার করে নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেবে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম এ তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচিকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশটিতে এই শুমারির জন্য ২৫ লাখ কর্মীকে নিয়োজিত করা হয়েছে। আগামী ১১ মাস ধরে দেশের সাত হাজারের বেশি শহর ও ছয় লাখ গ্রাম ঘুরে বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও ধর্মের নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করবে এই কর্মী বাহিনী। পুরো প্রক্রিয়ায় এক কোটি ১৬ লাখ টনের বেশি কাগজ ব্যবহার করা হবে এবং এতে খরচ হবে ছয় হাজার কোটি টাকা।
গতকাল প্রেসিডেন্ট প্রতিভা পাতিলের কার্যালয়ে গিয়ে শুমারি কর্মকর্তারা এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শুমারির প্রথম পর্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাউস লিস্টিং’ (বাড়ি তালিকাভুক্তকরণ)। এখানে বাড়ি নির্মাণে কী ব্যবহার করা হয়েছে, পানি ও বিদ্যুত্ সুবিধা ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করা হবে। মানুষ গণনা করা হবে আগামী বছরের ৯ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই বছরের মাঝামাঝিতে আদমশুমারির তথ্য প্রকাশ করা হবে।
আদমশুমারি কমিশনার সি চন্দ্রমৌলি বলেন, ‘২৫ লাখ কর্মী বাহিনী ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে কি না সেটাই এই শুমারির একটি বড় চ্যালেঞ্জ। শুরু থেকেই ঠিকভাবে কাজ করতে হবে। পুনর্গণনার কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহের পর নাগরিকদের ১৬ অঙ্কের একটি পরিচিতি (আইডি) নম্বর দেওয়া হবে। ২০০১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী ভারতের লোকসংখ্যা ছিল ১০২ কোটি ৮৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৬ জন। সরকারি হিসাবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা আরও ১৩ কোটি বেড়েছে। উল্লেখ্য, ১৮৭২ সাল থেকে ভারতে আদমশুমারি করা হচ্ছে।

Friday, March 19, 2010

"গর্তেরশ্বরী মন্দিরের বার্ষিক সূচনা"

জলপাইগুড়ি, ১৯ মার্চঃ   ভারতের ৫১ পিঠের অন্যতম ত্রিস্রোতা মহাপিঠের মহাদেবীর গর্তেরশ্বরীর বার্ষিক সূচনা হবে আজ। অনুষ্ঠানের সূচনা করবেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী বিশ্বপ্রেমানন্দজি। আজ থেকে আগামি ৮ দিনব্যাপি অনুষ্ঠান উপলক্ষে মেলা চলবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হিসেবে থাকবেন খাদ্যমন্ত্রী শ্রী পরেশ অধিকারী, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ আনন্দগোপাল ঘোষ, জেলাশাসক বন্দনা যাদব, মহকুমা শাসক নবকুমার বর্মন, শিক্ষা দপ্তরের আধিকারীক সমর মন্ডল, বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায় এবং প্রাক্তন বিধায়ক গোবিন্দ রায় প্রমুখ। গর্তেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গনে চন্ডীমহাজজ্ঞ হবে এবং মন্দির প্রাঙ্গনে বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

Thursday, March 11, 2010

"ভারতকে ধন্যবাদ তিব্বতীদের"

জলপাইগুড়ি, ১১ মার্চঃ   ১৯৫৯ সালে ৩১ শে মার্চ মহামহীম দলাই লামা সহ তিব্বতীরা ভারতে প্রবেশ করেছিল। আজ মহামহীম দলাই লামা এবং তিব্বতীদের পঞ্চাশ তম 'উত্থান দিবস'। ১২০০০০ তিব্বতীদের পুনর্বাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সংষ্কৃতিকে পঞ্চাশ বছর ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য তারা ভারত সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ এবং তারা এই মত প্রকাশ করেছে যে সংগ্রামী তিব্বতীদের পাশে সবসময়ে রয়েছে ভারতবর্ষ। তাই তিব্বতীরা তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতবর্ষকে। আজ 'উত্তর পূর্বাঞ্চল জোনাল টিবেটিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেস' এর পক্ষ থেকে জলপাইগুড়ি পরিক্রমা করা হয়।

Tuesday, March 2, 2010

"মিলন মেলা"

জলপাইগুড়ি, ২ মার্চঃ   জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের টিয়াপাড়ায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে জিরো পয়েন্টে রয়েছে 'সৈয়দ বুড়া পীরের মাজার'। এই 'মাজারকে' কেন্দ্র করে প্রতিবছর আয়োজন হয় মিলন মেলার। সমবেত দুই বাংলার মানুষের মঙ্গল কামনার জন্য 'মাজারের' পাশেই মেলা বসে। এই বছরও  একই ভাবে আয়োজন হয়েছে এই মেলার। গত রোবি বার দুই বাংলার মানুষের উপস্থিতিতে  অনুষ্ঠিত হয় মিলন মেলা। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায় এবং পঞ্চগড়ের আওয়ামি লিগের সংসদ মাজারুল হক প্রধান।

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)