Showing posts with label মালবাজার. Show all posts
Showing posts with label মালবাজার. Show all posts

Monday, September 19, 2011

ভর সন্ধায় ঝাকুনিতে কেঁপে উঠল শহর জলপাইগুড়িও

জলপাইগুড়ি, ১৯শে সেপ্টেম্বরঃ
ভুমিকম্পের উত্‌স সিকিম
থর থর করে কেঁপে উঠল পায়ের তলার মাটি ও বাড়ি। তখন ঘরিতে বাজে ৬.১০ মিনিট ৪৭ সেকেন্ট। ৬.৯ মাত্রার কম্পনে দুলে উঠল সমগ্র জলপাইগুড়ি। ভয় ও আতঙ্ক মানুষের চোখে মুখে দেখা গেল। জলপাইগুড়ি ছাড়াও আরও নানা জায়গায় এই কম্পন দেখা গেল। যেমন- শিলিগুড়ি, কোচবিহার, রায়গঞ্জ, ময়নাগুড়ি, মালাবাজার, সিকিম, নেপাল ইত্যাদি। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিকিম এবং সেখান থেকেই ভূমিকম্পের শুরু। জলপাইগুড়িতে দেওয়াল ভেঙে পড়ে বহু বাড়িতে। রাতভর আতংকে কাটায় জলপাইগুড়ি বাসীন্দা। সমাজপাড়া এলাকায় একটি আবাসন বাড়ি পড়ে যায় আরেকটি আবাসন বাড়ির ওপর। পান্ডাপাড়াতে একটি বাড়িতে বড়সর একটি দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ে। জলপাইগুড়ি সেন্ট্রাল জেলে চার ও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাথরুমে দরজা ও জানালা ভেঙ্গে বন্দীরা প্রান ভয়ে দৌড়ে মেইন গেটের সামনে ফাঁকা জায়গায় চলে আসে। সেই সময় জেনারেটরও বিকল্প হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা কেউই পালাতে পারেনি।
এদিকে জলপাইগুড়ি রাজবাড়ি একটি অংশ ভেঙ্গে পড়ে। রাজবাড়ির সিংহ দুয়ারে ফাটল দেখা দিয়েছে।

Thursday, June 3, 2010

"আগামি ৬ই জুন প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের পরিক্ষা"

জলপাইগুড়ি, ৩ জুনঃ  আগামি ৬ই জুন, রবিবার  জলপাইগুড়ি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের পরীক্ষা হতে চলেছে। প্রাথমিক শিক্ষক পদের নিয়োগের পরীক্ষার জন্য ৩টি পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল করেছে জলপাইগুড়ি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। কেন্দ্র গুলি হল, মালবাজার, বীরপাড়া ও মাদারিহাট। আগামী ৬ই জুন  ওই কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষা হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কিছু কারন বসত মালবাজারের পরীক্ষার্থীদের জলপাইগুড়ি, বীরপাড়ার পরীক্ষার্থীদের ফালাকাটায় ও মাদারিহাটের পরীক্ষার্থীদের অলিপুরদুয়ার কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

Friday, April 16, 2010

"ঝড়, শিলাবৃষ্টি দিয়ে শুরু হল নতুন বছর"

জলপাইগুড়ি, ১৬ এপ্রিলঃ   গতকাল ছিল পয়লা বৈশাখ, বাংলা নতুন বছরের শুরু। গতকাল দিনের বেলা আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলে ১০-১৫ মিনিটের কালবৈশাখীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকা। কালবৈশাখীর দাপটে কয়েকটি গ্রামের প্রচুর কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ে। গাছপালা মাটিতে পড়ে যায় এবং বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়ায় কিছু এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এই কালবৈশাখী ঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ময়নাগুড়ি এবং মালবাজারে কিছু এলাকা। এইসব এলাকায় বাড়িঘর ভাঙন এবং অন্যান্ন ক্ষয়খতির পরিমান অনেক বেশি। কিছু কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয় যার ফলে প্রচুর জমি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পয়লা বৈশাখের দিন

Saturday, April 10, 2010

"দেশের শ্রেষ্ঠ উদ্যান গরুমার জাতীয় উদ্যান"

গরুমারা জাতীয় উদ্যান। উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ উদ্যান যা এবার দেশের সেরা উদ্যান হিসেবে স্বীকৃতি পেল। গতকাল ম্যানেজমেন্ট এফেক্টিভনেস এভালুয়েশনের পক্ষ থেকে এ কথা জানিয়েছেন ডঃ ভি এস শ্রীবাস্তব। ২০০৯ সালে এম ই ই গোটা দেশের বিভিন্ন উদ্যানে সমীক্ষা চালায়। গোটা দেশের বিভিন্ন সমীক্ষক দলের রিপোর্ট বিশ্লেষনের পর সবাইকে পেছনে ফেলে সেরার তকমা পেয়ে যায় গরুমার জাতীয় উদ্যান। সমীক্ষকদের সমস্ত বিশ্লেষন অনুযায়ী গরুমারা জাতীয় উদ্যান সব দিক থেকে এগিয়ে। ইকো ট্যুরিজমের মাধ্যমে বনসংলগ্ন গ্রামবাসীদের অর্থনৈতিক বিকাশের প্রবলভাবে বৃদ্ধি ঘটেছে। বনকে আঁকড়ে ধরে ভালোভাবে বাঁচার অনন্দ পাচ্ছে সবাই।

Friday, April 9, 2010

"অভিযুক্ত ও বন্দীর জেলে বিয়ে"

জলপাইগুডি, ৯ এপ্রিলঃ পাত্র-রাহেদুল। পাত্রী-রেজিনা খাতুন
উভয়রই গ্রাম ও থানা- বিদুরদাঙ্গা, মালবাজার
একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী রাহেদুল। দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ঐ এলাকার মেয়ে রেজিনার সঙ্গে। প্রলোভন দেখিয়ে রেজিনার সাথে সহবাস করাও পর তাকে বিয়ে করতে আস্বীকার করে রাহেদুল। এদিকে রেজিনার একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। পরিস্থিতির চাপে রেজিনার বাবা থানায় আভিযোগ করলে পুলিশ তার নামে মামলা দায়ের করে। বর্তমানে রাহেদুল এখন বন্দী। কিন্তু পরে রাহেদুল রেজিনাকে বিয়ে করতে রাজী হয়। আদালতের নির্দেশে মুসলিম কাজির সামনে ইসলাম ধর্মের মূল বাক্য বা ইষ্টমন্ত্র(কলমা)
পরে রেজিনা কে সামনে নিয়ে জলপাইগুড়ি সেন্ট্রাল জেলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন উভয় পক্ষের বাড়ির লোকজনের উপস্থিতিতে। বিয়ের পর রেজিনা নিজের বাড়িতে চলে গেলেও রাহেদুল জেল থেকেই বিদায় জানায় সবাইকে। এখন উভয় পরিবারের  রাহেদুলের মুক্তির অপেক্ষা।

Thursday, April 8, 2010

"মালবাজারে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে এলো"

জলপাইগুড়ি, ৮ এপ্রিলঃ গত মঙ্গলবার গোর্খাজনমুক্তি মোর্চার র‌্যালিকে কেন্দ্র করে মালবাজার শহর যে উত্তপ্ত হয়েছিল, বুধবার তা কিছুটা শীতল হয়, প্রশাসনিক তরফে আশ্বাস পাওয়ার পর। মালের জন জাগরণ তাদের দাবিগুলি ডেপুটেশনের মাধ্যমে প্রশাসনিক আধিকর্তাকে জানায়। পুলিশের যথোপযুক্ত ব্যবস্থায় বুধবার থেকে মাল শহরে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসে। পরীক্ষার্থীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

Tuesday, April 6, 2010

"জনমুক্তি মোর্চা ও জনজাগরনের সংঘর্ষে বিপর্যস্ত মালবাজার"

মালবাজার, ৬ এপ্রিলঃ   গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার র‌্যালিকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে ডুয়ার্সের মালবাজার শহর। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের আন্দোলনে বিপর্যস্ত ডুয়ার্সবাসী মোর্চার গোর্খাল্যান্ডের ডুয়ার্সের অন্তর্ভুক্তির দাবির বিরোধিতা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আজ ডুয়ার্সের বিভিন্ন স্থান থেকে শতাধিক মোর্চা সমর্থক মোটরবাইক ও গাড়ির র‌্যালি নিয়ে গরু বাথান ও সেবকের দিকে আন্দোলন ও সভার জন্য যাওয়া শুরু করে। র‌্যালিটি মালবাজারে আসার পর জনজাগরন (উত্তরবঙ্গের অন্যতম শক্তিশালী গোর্খাল্যান্ড বিরোধী মঞ্চ) সমর্থকদের সাথে মোর্চা সমর্থকদের বচসা বাধে ও পরে তা সংঘর্ষের আকার নেয়। কিছুক্ষনের মদ্ধেই মালবাজারের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। প্রসাশনের পক্ষ থেকে অবস্থা নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য পুলিশি টহল ও নজরদারী শুরু করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক চলাকালীন সময় এই জাতীয় ক্রিয়াকলাপ যাতে পরীক্ষার্থীদের নিরপত্তা ও সুষ্ঠ পরীক্ষার ওপরে প্রভাব না  ফেলতে পারে তার ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে জনসাধারন।
মালবাজারে ঘন ঘন মোর্চা ও জনজাগরনের সংঘর্ষের ফলে বিপর্যস্ত জনজীবন স্বাভাবিক করতে মোর্চার উস্কানি মূলক আন্দোলন বন্ধের জন্য প্রসাশনিক ব্যাবস্থার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন মালবাজার বাসীরা।

"বিদেশি টাকা বদলের কাউন্টার হওয়া দরকার"

মালাবাজার, ৬ এপ্রিলঃ ডুয়ার্সের জলপাইগুড়ি জেলা থেকে মালবাজার সর্বত্র ভুটানী টাকার বাজার রমরমিয়ে চলছে।জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ী সমিতি থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তপক্ষকে জানানো হলেও তেমন কোনো সুরাহা হয় নি। জয়গাঁ বাজারে লেনদেনের সুবিধার জন্য ভুটানী নোটের ব্যবহার ৫,১০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০,৫০০ টাকায় এসে দাড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং পর্যটন ব্যবসায়ীরাও স্বীকার করে দাবি জানিয়েছেন ভুটানী নোট বদলের কাউন্টার খোলার জন্য।

Friday, March 19, 2010

"স্রোতহীন বিবর্ন ধরলানদী, ময়নাগুড়ি"

জলপাইগুড়ি, ১৯ মার্চঃ কালিম্পং এর বিচিলা পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে মালবাজার ছুয়ে সমতলে নেমে এসেছে ময়নাগুড়ির লাইফ লাইন ধরলা নদী। কোথাও নেওলা, কোথাও ধরলা নাম নিয়ে বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে চলে গেছে বাংলাদেশে। পাহাড়ী ধরলা সারাবছর জলে টইটুম্বুর থাকতো রুই, শোল, কাতলা, মৃগেল সহ প্রায় ২৫ রকম সুস্বাদু মাছ পাওয়া যেত। এই প্রানীকুলের উপর নির্ভর করে জীবিকা অর্জন করত প্রচুর মৎসজীবি। দুদশক পর আজ সেই নদী শীর্ণকায়, প্রাণহীন, বিকল স্রোতহীন নালা। স্রোত হারিয়ে নদী পরিনত হয়েছে ধানক্ষেতে। যে সামান্য জল আছে সেখানে বাঁধ দেওয়ার কাজে নেমেছে কিছু প্রকৃতিবিরুদ্ধ সুবিধাবাদী মানুষ।

বিবর্ন ধরলা নদী

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)