জলপাইগুড়ি ২ ডিসেম্বর: গত ২৮ শে নভেম্বর ২০১১ এ একটি অজানা কারণে অনেক বেশি মাছ করলা নদীতে মারা গেছে। জলপাইগুড়ি আরোহনের পক্ষ থেকে নদীর জল, মাটি এবং মরে যাওয়া মাছ সংগ্রহ করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তাদের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তদন্তের জন্যও দাবি জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
Showing posts with label করলা নদী. Show all posts
Showing posts with label করলা নদী. Show all posts
Friday, December 2, 2011
Tuesday, November 29, 2011
বিষের ফলে ভোর হতেই করলায় ভেসে ওঠে রাশি রাশি মাছ
![]() |
| বিষাক্ত জলে মাছের মৃত্যু |
Monday, November 1, 2010
করলা নদীতে মহিলার মৃতদেহ
জলপাইগুড়ি, ১ নভেম্বরঃ- জলপাইগুড়ির কোতয়ালী থানার অধীন গৌরিহাটে করলা নদীতে এক মহিলার পচাগলা মৃতদেহ পুলিশ উদ্বার করে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল সংলগ্ন মর্গে রাখা আছে। মহিলার পরিচয় জানা যায় নি।
Tuesday, July 27, 2010
"আলোচনা 'অরণ্য সপ্তাহে' "
জলপাইগুড়ি, ২৭শে জুলাইঃ করলা দূষন সমস্যা কার্যকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দাবিতে স্ট্রেট গভঃমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশন মানব মেল বন্ধন কর্মসূচীর কথা ঘষনা করলেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে অরন্য সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার বিভিন্ন আনুষ্ঠান হয়েছে। রাতে সুভাস সংগ্রহ শালায় বৃক্ষ রপন এবং দুষনের বিরুদ্ধে এক আলচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক দেব প্রসাদ রায়, সঞ্জীব চ্যাটার্জি, উমেশ শর্মা, প্রমুখেরা। জেলা হাসপাতালের সন্মুখে বৃক্ষ রপন করা হয়। একটি ফুটবল ম্যাচও প্রদর্শিত হয় ।
Monday, July 19, 2010
"জলপাইগুড়ি জেলায় অরন্য দিবস পালন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে"
জলপাইগুড়ি, ১৯শে জুলাইঃ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশন করলা দূষন রোধে কাজের পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচির কথা ঘোষনা করা হয়। গত শনিবার অরন্য দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃক্ষরোপনের গুরুত্ব এবং দূষনের বিরুদ্ধে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভার উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়। তিনিও বৃক্ষোরোপনের এবং দূষনের ওপর কিছু বক্তব্য রাখেন। জলপাইগুড়ির বিধায়ক মহাশয়া-র সঙ্গে আরো আনেকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ডঃআনন্দ গোপাল ঘোষ, উমেশ সর্মা, সঞ্জিব চ্যাটার্জি, প্রমুখেরা। জলপাইগুড়ি হাসপাতালেও এই অরন্য দিবসটি পালন করা হয়। বৃক্ষরোপনের সাথে ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল।
Saturday, July 17, 2010
"পুনরায় দেখাদিল তিস্তার ভাঙন, প্লাবনের আশঙ্কা"
জলপাইগুড়ি, ১৭ই জুলাইঃ তিস্তা নদীর দুইপাশের ভাঙন শুরু হয়েছে। এই ভাঙ্গনে জেলা সদর জলপাইগুড়ি ও জলপাইগুড়ির সাথে লাগানো একটি জনপদ এলাকায় এটি প্রচন্ড বিপন্ন জনক আশঙ্কা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সাথে লাগানো রন্ধামালির গৌরিকোণ এলাকা থেকে গত তিন বছর ধরে ভাঙ্গন হতে থাকায় এই এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নেপাতি নদীর সঙ্গে তিস্তার ব্যবধান দারিয়েছে মাএ ২০ কিলোমিটার। জলপাইগুড়ি শহরের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা নদীতে এসে পড়েছে নেপাতি নদী। এই কারনে তিস্তা নদী যদি নেপাতি নদীর সঙ্গে সম্পূর্ণ মিশে যায় তার ফলে জলপাইগুড়ি শহর জলে প্লাবিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Friday, July 9, 2010
"করলা নদীর দূষণ সংস্করণ"
জলপাইগুড়ি, ৯ই জুলাইঃ জলপাইগুড়ি শহরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি করলা নদীর দূষণ সংস্করণ করা। করলা নদীর দূষন সংস্করণ করার জন্য একটি নতুন প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। এই করলা অ্যাকশন প্ল্যানের ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট এর জন্য খরচ হবে ১৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ২৬৩ টাকা। বর্ষার সময় নদীর জল উপচে পরে শহরের জনবসতিপূর্ণ বিভিন্ন এলাকাতে। করলা নদীর বাঁধ রক্ষা করবার ক্ষেএে যা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে তা করলা অ্যাকশন প্ল্যানে থাকবে। করলা নদীর দুই পাড়ে সৌন্দর্য করনের ক্ষেএে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। প্রজেক্ট রির্পোট হাতে পাওয়া মাএই করলা নদীর দূষণ রোধের প্রকল্প রুপায়নের জন্য পু্রপ্রধান সরকারের কাছে অর্থ-চাইবেন।
Monday, June 7, 2010
"শুরু হতে চলেছে করলা নদীর দূষণ সমিক্ষা"
জলপাইগুড়ি, ৭ই জুনঃ জলপাইগুড়ি জেলার করলা নদী সংস্কারের জন্য জলপাইগুড়ির সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাব দূষণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এবং করলা নদীর দূষণের ওপর সমীক্ষা শুরু করা হয়েছে। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে করলা নদীর দূষনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। করলা নদীর দূষণের কারনে শহরের পরিবেশের ওপরে বিরুপ প্রভাব পড়ছে। দূষণের ব্যাপারে তারা বারবার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। বর্ষার সময়ে শহরের জলবদ্ধতার কারনে শহরবাসীকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। জলপাইগুড়িতে করলা নদীর দূষন সংস্কারের জন্য নৌকো করে দূষন বিরোধী প্রচার চালাছেন এই সংগঠন।এই দূষণের রির্পোট জলপাইগুড়ির সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবের সদস্যরা জেলা প্রশাসন এবং পুরসভার কাছে জমা দেবে বলে জানা যায়।
Saturday, April 17, 2010
"বেহাল অবস্থা কমলা নেহেরু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের"
জলপাইগুড়ি, ১৭ এপ্রিলঃ দিনবাজার করলা নদীর ধারে স্ববজি বাজারের পাশে কমলা নেহেরু প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাঁচ কাঠা জমির উপরে স্কুলের নিজস্ব অবস্থান। দু কাঠা জমির উপর স্কুলের ক্লাসরুম এবং স্কুলের অফিস। বাকি অংশ পৌরসভার দখলে। শৌচাগারের ব্যাবস্থা থাকলেও তা অস্বাস্থকর। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে বসার জন্য কোন বেঞ্চ টেবিল কিছু নেই এবং মিড ডে মিলেরও কোন ব্যাবস্থা নেই। ছাত্রছাত্রী সংখ্যা মোট ১৭৫ জন কিন্তু স্কুলে নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জনের মত।
এখানকার সমস্ত ছাত্রছাত্রী দরিদ্র পরিবারের এবং ডোম ও নিষিদ্ধ পল্লী থেকে আসা। তাদের অভিভাবকরা ছেলেমেয়ে দের স্কুলে পাঠালেও সেই স্কুলের এরকম শোচনীয় অবস্থা। পরিকাঠামো উন্নতির জন্য স্কুল ফান্ডে টাকা আসলেও স্কুলের তরফ থেকে কোন কাজ না করার জন্য টাকা ফেরৎ চাইছে সাহাজ্যকারী সংস্থা।
বাজারের পাশে স্কুলের অবস্থান হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে বলে স্কুল দাবি করছে, অন্যদিকে স্কুলের তরফ থেকে কোন উন্নতির ব্যাবস্থা না নেওয়ার জন্য নারাজ স্থানীয় মানুষরাও। তবে কিছু সংখ্যক লোক স্কুলের উন্নতির জন্য সমবেদনা জানালেও স্থানীয় কাউন্সিলরের স্কুল উন্নতির পরিকাঠামো নিয়ে কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন।
এখানকার সমস্ত ছাত্রছাত্রী দরিদ্র পরিবারের এবং ডোম ও নিষিদ্ধ পল্লী থেকে আসা। তাদের অভিভাবকরা ছেলেমেয়ে দের স্কুলে পাঠালেও সেই স্কুলের এরকম শোচনীয় অবস্থা। পরিকাঠামো উন্নতির জন্য স্কুল ফান্ডে টাকা আসলেও স্কুলের তরফ থেকে কোন কাজ না করার জন্য টাকা ফেরৎ চাইছে সাহাজ্যকারী সংস্থা।
বাজারের পাশে স্কুলের অবস্থান হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে বলে স্কুল দাবি করছে, অন্যদিকে স্কুলের তরফ থেকে কোন উন্নতির ব্যাবস্থা না নেওয়ার জন্য নারাজ স্থানীয় মানুষরাও। তবে কিছু সংখ্যক লোক স্কুলের উন্নতির জন্য সমবেদনা জানালেও স্থানীয় কাউন্সিলরের স্কুল উন্নতির পরিকাঠামো নিয়ে কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন।
কমলা নেহেরু বিদ্যালয়
Friday, April 16, 2010
"করলা নদীর বন্দনা"
জলপাইগুড়ি, ১৬ এপ্রিলঃ নববর্ষের সকাল থেকে জলপাইগুড়ি বাবুঘাট এলাকা ছিল পুরো জমজমাট। উদ্দেশ্য করলা নদীর বন্দনা। ঢাক ঢোল বাজিয়ে, মন্ত্রোচ্চারণ করে বাংলা বছরের প্রথম দিনে করলা নদীর পূজা করা হল। উদ্দেশ্য একটাই, বাসীন্দাদের নদীতে ময়লা ফেলা থেকে বিরত রাখা। উদ্যোক্তারা হলেন সরকারি কর্মীদের সংগঠন 'ইউনিফায়েড'। করলার দূষন প্রতিরোধে এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরেই নানা ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে জেলা প্রশাসনও করলার সংস্কারের জন্য উদ্যোগী হয়েছেন। কিন্তু সরকারি উদ্যোগ ছাড়াও শহরবাসীর সচেতনতার জন্যই গঙ্গাপূজোর রীতি অনুশারে করলা নদীকে মাতৃরুপে পূজো করেন।
Wednesday, March 31, 2010
"করলা নদীর বুকে বোরো ধানের চাষ"
জলপাইগুড়ি, ৩১ মার্চঃ একদিকে করলা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমস্যা যেমন দিন দিন বেড়েই চলেছে তেমনি অপরদিকে করলা নদী সংলগ্ন বেআইনি ভাবে বসবাসকারীরা নদীর অগভীর স্থানে বোরো ধানের চাষ করে যাচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে, চাষাবাদের জন্য জমির অভাবে তারা এভাবে করলা নদীকে ব্যাবহার করলেও ধান চাষের জন্য ব্যাবহৃত কীটনাশক নদীর দূষন মাত্রাকে আরও গভীর করে তুলছে। করলা নদীর দূষন রোধের জন্য প্রয়োজনীয় আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার কিন্তু বোরো চাষীদের জন্য সরকার কি আশ্বাস দিবে সেটাই এখন চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে।
| করলা নদীর বুকে বোরো ধানের চাষ |
Sunday, March 21, 2010
"করলা নদীর উপর আরও একটি নতুন ব্রীজ"
জলপাইগুড়ি, ২১ মার্চঃ জলপাইগুড়ি শহরবাসীর যাতায়াত এবং যোগাযোগ ব্যাবস্থার সুবিধার জন্য করলা নদীর উপর আরও একটি নতুন একটি ব্রীজ তৈরী করা হচ্ছে। ব্রীজ তৈরীর কাজ শুরু হয়ে গেছে। সমাজ পাড়া রবীন্দ্রভবনের সামনে দিয়ে হাসপাতাল পাড়া পর্যন্ত ব্রীজের সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।
করলা নদীর উপর তৈরী হচ্ছে নতুন ব্রীজ
"চৈত্র মাসের ছট্ পুজা"
জলপাইগুড়ি, ২১ মার্চঃ ছট্ পুজার সঙ্গে সবাই পরিচিত। এই পুজা সাধারনত বাঙালীর সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গা পূজার পরেই হয়ে থাকে। কিন্তু চৈত্র মাসে দ্বিতীয়বার এই পূজার সঙ্গে অনেকেই অপরিচিত। আজকের দিনে দ্বিতীয়বার এই পূজাটি সংঘটিত হয়ে থাকে। চৈত্র মাসের ছট্ পুজার আজ প্রথম দিন। ঘাটে গিয়ে ভোড় বেলায় সূর্য দেবতার পূজা করা হয়। জলপাইগুড়ি উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা নদীর পাড়ে, বাবুঘাটে আজ ভোড়ে পুজার ভীড় পড়ে যায় এবং বিকেলেও একই ভাবে ভীড় লক্ষ করা যায়।
বাবুঘাট-জলপাইগুড়ি
Saturday, March 13, 2010
"আজ থেকে শুরু হল বারুনি মেলা"
জলপাইগুড়ি, ১৩ মার্চঃ আজ থেকে শুরু হল বারুনির স্নানের মেলা। প্রতি বছর এই মেলায় অনেক ভিড় জমে, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বারুনি নদীতে স্নান করে মন্দিরে পূজো দেওয়াই এখানকার রীতি। আজ সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গনে ভীড় জমতে থাকে। মেলা চলবে তিনদিন ধরে।
বারুনি মেলার স্নান
Wednesday, March 3, 2010
"বাবুপাড়ায় খেলার মাঠের বেহাল অবস্থা"
জলপাইগুড়ি, ৩ মার্চঃ করলা নদী সংলগ্ন বাবুপাড়ায় শিশুদের খেলার মাঠের বর্তমানে বেহাল অবস্থা হওয়ার জন্য এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুদ্ধ। নদী সংলগ্ন ওই মাঠের ঘেরা দেওয়া প্রাচীর ধসে গেছে। পুরো মাঠ আগাছায় ভর্তি এবং সন্ধার পর দুষ্কৃতিরা নেশার আসোর বসায়। মাঠে খেলার মত অবস্থার বদলে এখন অস্বাস্থকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাই এলাকার বাসিন্দাদের আর্জি জলপাইগুড়ি পুরসভা মাঠটির অধিগ্রহন করুক।
Tuesday, February 16, 2010
"করলা নদীর দূষন রোধের ব্যাবস্থা"
জলপাইগুড়ি, ১৬ ফেব্রুয়ারিঃ করলা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়জনীয় উদ্যোগ গৃহীত না হওয়ায় সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলছিল। দূষন রোধে পদক্ষেপের ব্যাপারে মন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে সরকারি আধিকারিকদের প্রতিশ্রুতির শেষ ছিল না। কিন্তু এবার, নদীর দূষনরোধে সার্থক পদক্ষেপ গ্রহন করবে রাজ্য সরকার। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের পক্ষ থেকে করলা নদীর বেহাল অবস্থার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য একটি সাক্ষর অভিযান চালানো হয় এবং পঞ্চাশ হাজার সই সংগ্রহ করে তারা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে করলা নদীর দূষন রোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আস্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার।
Wednesday, February 3, 2010
"করলার দূষন নিয়ে বুদ্ধের দ্বারস্থ"
জলপাইগুড়ি ৩ ফেব্রুয়ারিঃ জলপাইগুড়ি শহরের বুক চিরে বয়ে চলেছে করলা নদী। নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়জনীয় উদ্যোগ গৃহীত না হওয়ায় সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। নদীর সংলগ্ন এলাকায় বেআইনিভাবে ধান চাষ হচ্ছে এবং চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কীটনাশক নদীর জলে মিশে দুষনের মাত্রা বৃদ্ধি করছে। শহরের দিনবাজার সংলগ্ন এলাকার সবজি বাজার এলাকায় দূষনের জন্য যাতায়াত করা দুর্বিষহ। দূষন রোধে পদক্ষেপের ব্যাপারে মন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে সরকারি আধিকারিকদের প্রতিশ্রুতির শেষ নেই।
করলা নদীকে ঘিরে জলপাইগুড়ি শহরের উন্নতির সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো হচ্ছেনা। তাই দূষন রোধে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্বারস্থ হচ্ছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশন। দষন নিয়ে উদ্বিগ্ন শহরবাসীদের উদ্বেগমুক্ত করার জন্য সরকার কি করে-- তার দিকে তাকিয়ে জলপাইগুড়ি
করলা নদীকে ঘিরে জলপাইগুড়ি শহরের উন্নতির সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো হচ্ছেনা। তাই দূষন রোধে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্বারস্থ হচ্ছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশন। দষন নিয়ে উদ্বিগ্ন শহরবাসীদের উদ্বেগমুক্ত করার জন্য সরকার কি করে-- তার দিকে তাকিয়ে জলপাইগুড়ি
Sunday, January 10, 2010
"করলা বাঁচাতে সই সংগ্রহ"
জলপাইগুড়ি ১০ জানুয়ারীঃ জলপাইগুড়ি করলা নদীর দূষন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের পক্ষ থেকে শনিবার সাক্ষর অভিযান করা হয়। পঞ্চাশ হাজার সই সংগ্রহ করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
খবরে খুজুন
জলপাইগুড়ি
(208)
উত্তরবঙ্গ
(18)
করলা নদী
(18)
ডুয়ার্স
(12)
পশ্চিমবঙ্গ
(11)
মালবাজার
(9)
কদমতলা
(8)
দিনবাজার
(7)
কোচবিহার
(6)
তিস্তা
(6)
দেবনগর
(6)
পাঙ্গা সাহেববাড়ি
(6)
বাংলাদেশ
(6)
ভারত
(6)
সুকান্তনগর
(6)
A.C. College
(5)
দার্জিলিং
(5)
বেগুনটারি
(5)
ময়নাগুড়ি
(5)
রবীন্দ্রভবন
(5)
গোশালা মোড়
(4)
পুরাতন মসজিদ
(4)
বেরুবাড়ি
(4)
রায়কতপাড়া
(4)
স্পোর্টস কমপ্লেক্স
(4)
গোর্খাল্যান্ড
(3)
বিবেকানন্দ কলোনি
(3)
সার্কিট হাউস
(3)
অরবিন্দ নগর
(2)
কলেজ
(2)
কাদোবাড়ি
(2)
ডিবিসি রোড
(2)
ডেঙ্গুয়াঝার
(2)
বাবুঘাট
(2)
মন্ডলঘাট
(2)
মাদ্রাসা মাঠ
(2)
মোগিতনগর
(2)
রাজগঞ্জ
(2)
সারদা পল্লী
(2)
গোঁসাইরহাট
(1)
জলপাইগুড়ি স্টেশন
(1)
টাউনক্লাব
(1)
টিয়াপাড়া
(1)
ফাটাপুকুর
(1)
হুজুর সাহেবের মেলা
(1)
