Showing posts with label বর্ষাকাল. Show all posts
Showing posts with label বর্ষাকাল. Show all posts

Friday, July 8, 2011

বর্ষা বর্ষা

জলপাইগুড়ি,৮ জুলাইঃ- জলপাইগুড়ি শহরে নিকাশি ব্যাবস্থা বিপর্যস্ত। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা ঘাট কাঁদা । বৃষ্টি এমন সময় বুঝে বুঝে হচ্ছে যে সবার অফিস ,স্কুল যাওয়ার ও আসার সময় । আর জলপাইগুড়ির রিক্সা এই সুযোগে ভাড়াটাও দ্বিগুন হেঁকে বসেছে। প্রকৃতির এমন খেলা মেনে নিতেই হবে।

Friday, July 9, 2010

"করলা নদীর দূষণ সংস্করণ"

জলপাইগুড়ি, ৯ই জুলাইঃ জলপাইগুড়ি শহরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি করলা নদীর দূষণ সংস্করণ করা। করলা নদীর দূষন সংস্করণ করার জন্য একটি নতুন প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। এই করলা  অ্যাকশন প্ল্যানের ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট এর জন্য খরচ হবে ১৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ২৬৩ টাকা। বর্ষার সময় নদীর জল উপচে পরে শহরের জনবসতিপূর্ণ বিভিন্ন এলাকাতে। করলা নদীর বাঁধ রক্ষা করবার ক্ষেএে যা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে তা করলা অ্যাকশন প্ল্যানে থাকবে। করলা নদীর দুই পাড়ে সৌন্দর্য করনের ক্ষেএে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। প্রজেক্ট রির্পোট হাতে পাওয়া মাএই করলা নদীর দূষণ রোধের প্রকল্প রুপায়নের জন্য পু্রপ্রধান সরকারের কাছে অর্থ-চাইবেন।

Wednesday, July 7, 2010

"তিস্তার জলে প্লাবিত সুকান্তনগর কলোনি"

জলপাইগুড়ি, ৭ই  জুলাইঃ   প্রতিবার তিস্তা যেন নবরুপ ধারন করে, ফুলে ফেপে ওঠে গর্জন করতে করতে এই বর্ষার মরশুমে। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন সুকান্তনগর কলোনিতে প্লাবন হওয়াটা একটা সুপরিচিত চিত্র। এবছরও সেই তিস্তার জলে প্লাবিত সুকান্তনগর এলাকা। আর প্রতি বছর সেই একই রুপে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে ঐ এলাকার মানুষদের।
গতবছর এবং বর্ষা শুরুর আগে এই এলাকাতে তিস্তার পাড় বাঁধানো হলেও বন্যার প্রকোপ থেকে রক্ষা পেলনা সুকান্তনগর কলোনি। এই এলাকার একজল প্রবীন বাসীন্দা জানিয়েছেন যে, তাদের প্রতিবছর এই বন্যার কবলে পড়তে হয়। বর্ষার মরশুম প্রতিবছর তাদের আতঙ্কিত করে তোলে। এই সময় এই এলাকার বাসীন্দারদের প্রায় না খেয়েই থাকতে হয়। এই ব্যাপারে বন্যা কর্তৃপক্ষ কি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করবে না এটাই তাদের এখন চিন্তার বিষয়।

প্লাবিত সুকান্তনগর কলোনি

Wednesday, June 16, 2010

"আবার সেতুর ভাঙন"

জলপাইগুড়ি, ১৬ই জুনঃ  জলপাইগুড়ি জেলায় গত মঙ্গলবার কাদোবাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসুনীয়া পাড়ায় একটি পণ্যবাহী ট্রাকের ভারে সেতু ভেঙে পড়ে। অনেকদিন থেকেই পুরনো এই সেতুটির উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। বর্ষার শুরুতেই সেতুটি ভেঙ্গে পড়ায় কাদোবাড়ি, ধাবগঞ্জ, গড়ালবাড়ি সহ অন্যান্ন এলাকার বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছে। এই সমস্ত এলাকার জীবিকা এবং যোগাযোগের একমাএ মাধ্যম ছিল বাসুনীয়া পাড়ার সেতুটি। সেতুটি ভেঙে পড়ার ফলে সমস্যায় পড়তে হয় স্থানীয় মানুষদের। সেতুটি ভেঙে পড়ায় স্থানীয় মানুষদের জলপাইগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগে বিছিন্ন হয়েছে। চিকিৎস্যা ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় মানুষরা জলপাইগুড়ির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সেতুটির ভাঙনের কারনে তারা বিভিন্ন সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছে। এই সেতুটির নির্মান খুব শীঘ্রই করা হবে বলে জানা গেছে ঐ এলাকারই বাসীন্দাদের থেকে।
ঠিক একই রকম ভাবে কিছুদিন আগে একটি পাথর বোঝাই ট্রাক যাওয়ার সময় পাঙ্গা সাহেববাড়ির পুরানো একটি সেতু ভেঙে পড়েছিল।

Monday, May 31, 2010

"জলবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি শহরে"

জলপাইগুড়ি, ৩১ মেঃ   জমে থাকা জল-এর সমস্যা সমধান হচ্ছে না জলপাইগুড়িতে। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বদলেও তার রক্ষা করতে পারেনি। জনপ্রতিনিধিরা পুরসভার ক্ষমতায় বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস এলেও সমস্যার সমাধান করতে পারেনি তারাও। মে মাসের শেষেই শুরু হয়ে যায় বর্ষা। জলপাইগুড়ি জেলার ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জলবদ্ধতার সমস্যা দেখা যায়। শুরু হয় এাণকর্মীর দৌড় ঝাপ। অর্থ মন্ত্রী করলার নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতি দিলেও তার রক্ষা করতে পারেনি। বর্ষা এলেই শুরু হয় শহর বাসীর দুশ্চিন্তা। নিউটানপাড়া, মহামায়াপাড়া, রায়কতপাড়া, আনন্দপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় বর্ষার  সময়ে প্রচন্ড ভাবে জল জমে থাকে। জলবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্ত নয় জেলার 'হাসপাতাল'ও জলবদ্ধতার সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী। তারা জানিয়েচ্ছেন প্রতিশ্রুতি আর নয় এবার পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

Monday, May 24, 2010

"বর্ষা কালে তিস্তাপাড়ের ভাঙন নিয়ে অতঙ্ক জনগনের মধ্যে"

জালপাইগুড়ি, ২৪ মেঃ বর্ষার শুরুতে জলপাইগুড়ি সংলগ্ন সুকান্তনগর, সারদাপল্লি, এবং বিবেকান্দ কলোনির মানুষের মধ্যে অতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও ভাঙন প্রতিরোধের পর্যাপ্ত অর্থ পাওয়া যায়নি। ভাঙন সমস্যার কথা উওরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সভায়, তুলে ধরা হলে পর্যাপ্ত অর্থ হিসাবে ৭৪ লক্ষ টাকা পওয়া যায়। তিস্তা ভাঙনের তীব্রতা দেখা গিয়ে ছিল গত বছর। তিস্তা পাড়ের সংলগ্ন গ্রামগুলি ছিল কৃষি নির্ভর। তাদের আবাদি জমি ও বসতি জমি-জমার মধ্যে নদীর গর্ভে চলে যাওয়ার ফলে অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জীবনে। ভাঙন ক্রমশ শহরের দিকে এগিয়ে আসায় শহর বাসীও ১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা মনে করে আতঙ্কিত। ইতিমধ্যে বর্ষার ভাঙন প্রতিরোধের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি আজও।

Saturday, May 22, 2010

"নার্বাড ২৫ কোটি দেবে বন্যা নিয়ন্ত্রনকে"

জলপাইগুড়ি, ২২ মেঃ- উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনকে ২৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নাবার্ড। জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির সেচ ডিভিশনের ভাঙন রোধের জন্য। উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনের চেয়ারম্যান অজয় বসাক জানান  দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ব্রক্ষপুএ বোর্ডের বৈঠকে ব্রক্ষপুএ বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য ১০ কোটি মঞ্জুর করেছেন। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং আলিপুরদুয়ার এর সেচ ডিভিশনে ব্রক্ষপুএ বোর্ড পাঁচটি প্রকল্পের কাজ করেছেন। অজয় বাবু জানান নাবার্ড থেকে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে,  শিলিগুড়ি সেচ ডিভিশনে মহানন্দা এবং বালাসন নদী নিয়ন্ত্রনের জন্য ৫ কোটি, জলপাইগুড়ির জন্য ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বর্ষার পর বন্যা নিয়ন্ত্রনের কাজ করা হবে। উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, রংধামালি এলাকায় তিস্তা নদীর গতি পরিবর্তন হয়েছে। রংধামালি এলাকায় নদী ভাঙন এবং বাঁধ নির্মানের কাজ হবে।

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)