Showing posts with label কাউন্সিলার. Show all posts
Showing posts with label কাউন্সিলার. Show all posts

Saturday, September 24, 2011

একদল সমাজসেবী সিকিমে

জলপাইগুড়ি ২৪সেপ্টেম্বর : জলপাইগুড়ি থেকে একটি সমাজ সেবী দল সিকিমে ভুমিকম্পে বিপন্ন মানুষের উদ্ধার কাজে হাত বাড়াচ্ছেন. সিকিমে ভুমিকম্পে উদ্ধারকাজে সহায়তা করবার জন্য জলপাইগুড়ি পুরসভার ৩ নং ওয়ার্ড  কাউন্সিলার স্বরূপ মন্ডলের নেতৃত্বে একটি দল কাজ করছে. তিনদিন ধরে এই দল টি সিকিমের উদ্ধারকার্য করছেন বলে তিনি জানান.

Tuesday, September 14, 2010

"রাত দশটায় তিস্তাপাড়ে মিছিল"

জলপাইগুড়ি, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ গত সোমবার রাত দশটায় প্রায় পাঁচশ মহিলা মিলে তিস্তা পাড়ে জুবিলি পার্কে মিছিল বের করে। তিস্তা পাড়ে সন্ধার পর বেআইনী ভাবে মদের কারবার চলে, এর বিরুদ্ধেই তাদের এই মিছিল। মিছিলকারী মহিলাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকেন জেলার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। আচমকা রাত্রিবেলা এই মিছিল দেখে বেআইনী মদ কারবারিরা ঐ জায়গা থেকে পালিয়ে যায়।

Tuesday, June 15, 2010

"জনকল্যানকর রাজনৈতিক ব্যাক্তি স্বরুপ মন্ডল"

জলপাইগুড়ি, ১৫ই জুনঃ  জলপাইগুড়ি জেলার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার স্বরুপ মন্ডল। তিনি এক জন জনকল্যানকর রাজনৈতিক ব্যাক্তি। ২০১০ সালের পুরসভার ভোটে জয়ী হয়ে তিনি নিজের ওয়ার্ডের প্রতিটি বারির দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে এবং সকল মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাড়াবার আস্বাস দিয়েছেন। বিগত ১৯৯৫ এবং ২০০০ সালে পুর নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। পরাজিত হয়েও তিনি নিজের ওয়ার্ডের সমস্ত দুস্থ মানুষের পাশে থেকেছেন এবং ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সমস্ত সমস্যার সমাধান করেছেন। তিনি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছেন এমন কি তিনি নিজেও রক্ত দিয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে রোগাক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে পৌছে দিতেও পিছুপা হননি। ইতিমধ্যে তিনি কুষ্ট আশ্রমের সামনে রাস্তা সংস্কারের কাজের জন্য দাবি জানিয়েছেন। তিনি আজও সকল মানুষের সাহায্যের জন্য নিজেকে সমাজের কাজে নিযুক্ত করে রেখেছেন।

Friday, June 4, 2010

"জলপাইগুড়িতে আগামি ৫ই জুন কংগ্রেসের বিজয় মিছিল বের হবে"

জলপাইগুড়ি, ৪ই জুনঃ-  শনিবার ৫ই জুন জলপাইগুড়িতে বিজয় মিছিল বের করবে কংগ্রেসরা। আর তারপর দিন ৬ই জুন নবনির্বাচিত কাউন্সিলাররা শপথ গ্রহন করবেন। কংগ্রেস প্রার্থী দীপা দাসমুন্সীও এই বিজয় মিছিলে অন্যদের সাথে পায়ে পা মিলিয়ে চলবে বলে জানা যায়। জলপাইগুড়ির বিক্ষুব্ধ দুই কংগ্রেস প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে কংগ্রেসরা। ভোটের ফল বেরনোর পর দেখা গেছে ৮ নং ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী চিএা চ্যাটার্জি জয়ী হয়েছে কিন্তু অন্যদিকে ৯ নং ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী চিএা চ্যাটার্জির ছেলে সৈকত চ্যাটার্জি পরাজিত হয়েছে, সেই কারনে চিএা চ্যাটার্জিকে কান্নায় ভেঙ্গে পরতে দেখাগেছে।

Thursday, May 20, 2010

"চক্রান্ত করে সাম্রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা, প্রয়জনে বলপ্রয়োগ"

জলপাইগুড়ি, ২০ মেঃ   গত ১লা মে জলপাইগুড়ির কোন একটি বানিজ্যিক ভবনে এক জনসভার আয়োজন করেন দিনবাজার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়। ঐ সভায় উপস্থিত হয় ১২১ জন মারোয়ারী ব্যবসায়ী। এই সমাবেশের উদ্যোগতা ছিলেন শহরের একজন নামি ঠিকাদার, একজন স্বর্ন ব্যবসায়ী এবং একজন বিস্কুট ব্যবসায়ী। এরা সকলেই ছিলেন অবাঙালি। কেন এই জনসভা তা অনেকেই জানত না। অনেকে ভেবেছিলেন কোন সংগঠনমূলক কাজের প্রস্তাব এই সভার মূল বিষয় হতে পারে। কিন্তু এমন একটি প্রস্তাব সমাবেশে তুলে ধরা হয় যা অনেককেই স্তম্ভিত করে দিয়েছিল।
আয়োজকরা সভাতে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সম্মুখে শহরে মারোয়ারীদের আধিপত্ত ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। এর জন্য টাকা খরচ করে লোভী বিহারি, ও বাঙালি দের কব্জায় আনতে হবে বলেও তারা প্রস্তাব রাখেন। তার ফলে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জেতানো যাবে এবং তাতে শহরের মারোয়ারী ব্যবসায়ীদের ক্ষমতা বাড়বে আর সেটাই হবে জলপাইগুড়ি শহরে মারোয়ারী রাজ্যের প্রথম ধাপ।
টাকা দিয়ে লোভী বিহারী ও বাঙালিদের কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি শিলিগুড়ি থেকে 'ভাড়া করা মাসলম্যান' নিয়ে আসবেন এবং ভোটের কয়েকদিন আগেই এদের কর্মকান্ড চলবে বলে তারা বলেছেন। গরীব বিহারি ও বাঙালিদের টাকা দিয়ে কেনার প্রস্তাবে রাজি না হলে প্রয়জনে তারা বল প্রয়োগ করতেও পিছপা হবে না বলে জানিয়েছেন।
এই প্রস্তাব শুনেই সভার বেশিরভাগ মারোয়ারী ব্যবসায়ীগন সভা ছেড়ে চলে যায়। কারা এই সভা ডেকেছে তাদের নাম এখনো জানা জায়নি। শুবুদ্ধি সম্পন্ন কিছু মারোয়ারী জনগন ৫ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সন্দীপ মাহাতোকে একথা জানালে তিনি উপযুক্ত ব্যাবস্থাও নিতে শুরু করেছেন। উক্ত ঘটনার জন্য মারোয়ারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কারন তারা নিজেদের এই শহরের স্থায়ী বাসীন্দা বলে মনে করেন। এইরকম হিংসাত্বক ঘটনা জলপাইগুড়ির ইতিহাসকে কালিমা লিপ্ত করছে।

Saturday, May 8, 2010

"পুকুর সংস্কারের দাবি জানিয়ে ব্যর্থ এলাকাবাসী"

জলপাইগুড়ি, ৮ মেঃ   জলপাইগুড়ি ১৫ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত পানপাড়া সংলগ্ন মেহেরুন্নেসা হাই স্কুলের পেছন দিকে একটি পুকুর আছে যার দীর্ঘদিন ধরে কোন সংস্কার এবং পরিচর্চা হয়নি। বহু পুরনো এই পুকুরটিতে জল নেই বললেই চলে, তার বদলে আছে আবর্জনা এবং জঙ্গল। এরকম অস্বাস্থ্যকর, অপরিচ্ছন্ন হওয়াতে সাপ পোকামাকড়ের ভয় যেমন আছে তেমনি মশার উপদ্রব ও দুর্গন্ধে অতিষ্ট ঐ এলাকার বাসীন্দারা। একসময় এই পুকুরটিই নাকি পানপাড়া এলাকার ঐতিহ্য ছিল। কিন্তু  দীর্ঘদিন ধরে পরিচর্চার অভাবে বর্তমানে এই পুকুরটি আবর্জনার স্তুপ আর  জঙ্গলে পরিনত হয়েছে।
সাত বছর আগে বিপুল সিন্‌হা ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার থাকাকালীন এই পুকুরের একবার সংস্কার করা হয়েছিল। তারপর আর কোনরকম উদ্যোগ নেয়নি কেও। বর্তমান কাউন্সিলার তপন ব্যানার্জিকে পুকুর সংস্কারের কথা জানালে তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি এই ব্যাপারে কোন উদ্যোগ গ্রহন করতে পারবেন না। পুকুরের পার্শ্ববর্তী বাসীন্দারা এই ব্যাপারে পুকুর সংলগ্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিজিৎ ঘোষ মহাশয়কে জানালে তিনি জানান যে, পুকুর সংস্কারের জন্য পৌরসভা বা বর্তমান কাউন্সিলার কারও কাছ থেকে কোন লিখিত নির্দেশ পাননি তাই তার পক্ষেও কোনরকম পদক্ষেপ গ্রহন করা সম্ভব হবে না।
পানপাড়ার এই পুকুরটিকে নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন এলাকাবাসী

Wednesday, May 5, 2010

"পুরভোটঃ জলপাইগুড়ি ১৫ নং ওয়ার্ড"

জলপাইগুড়ি, ৫ মেঃ   জলপাইগুড়ি ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তপন ব্যানার্জি(কংগ্রেস প্রার্থী), তিন নং ঘুমটি, পানপাড়া, সার্ফ মোড়, কংগ্রেস পাড়া, পান্ডাপাড়া সুভাষ লেন নিয়ে এই ওয়ার্ড। তপন ব্যানার্জি প্রথম কাউন্সিলার হন ১৯৯০ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয়বার হন ১৯৯৫থেকে ২০০০ পর্যন্ত। ২০০৫ সালে কাউন্সিলার ছিলেন বিপুল সিন্‌হা। তারপর আবার ২০০৫ থেকে ২০১০ সালে তপন ব্যানার্জি কাউন্সিলার হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৬০ জনকে বৃদ্ধ ভাতা, ৫৯ জনকে বিধবা ভাতা, ৩০ টি পরিবারের ঘর, এলাকার স্কুলে মিড ডে মিলের যথাযত ব্যবস্থা এবং সেলফ হেল্প গ্রুপ প্রভৃতি তিনি করে থাকেন। বিগত ৫ বছরে তিনি ২ কোটি টাকা উন্নয়নের কাজে ব্যয় করে থাকেন বলে জানিয়েছেন।
১৯৯৭ সালে কাউন্সিলার থাকাকালীন প্রচুর টাকা ব্যয় করে জলপাইগুড়ি পুরানো মোসজিদের পুকুরটির পাড় বাঁধানো হয়েছিল কিন্তু কিছুদিন পড়েই তার একপাশ ভেঙ্গে যাওয়াতে বিরোধি পক্ষ এবং জনসাধারনের প্রশ্নের মুখোমুখি হলে তিনি জানান ‘পরিকাঠামো হয়ত ঠিক ছিলনা'।  শহরের পানপাড়ার ভেতর একটি ব্যবহারযোগ্য পুকুর আছে। ২০০৫ সালে বিপুল সিন্‌হা কাউন্সিলার থাকাকালীন পুকুরটি বোল্ডার দিয়ে পাঁড় বাঁধান। এবারের কাউন্সিলার তপন ব্যানার্জি এই পুকুরের জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন তহবিল পর্ষদ থেকে ৯ লক্ষ আশি হাজার টাকা ধার্য করিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এবারের পুর ভোটে তিনি জিতলে চার নং ঘুমটিতে উড়াল পুলের ব্যাবস্থা করার আস্বাস দিয়েছেন।
অপরদিকে বামফ্রন্ট প্রার্থী অসিম কর বলেছেন, তপন ব্যানার্জি কাউন্সিলার থাকাকালীন যা কাজ করেছেন তাতে প্রচুর ভুল আছে এবং সব কাজ তাদের খেয়াল খুশি ভাবে করা হয়েছে। এসব দুর্নিতীর জন্যই তিনি ভোটে দাড়িয়েছেন এবং জিতলে জনগনের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
কংগ্রেস প্রার্থী তপন ব্যানার্জি

Friday, January 8, 2010

"অভিযোগ জলপাইগুড়িতে"

জলপাইগুড়ি, ৮ জানুয়ায়ীঃ  কংগ্রেস পরিচালিত পুরবোর্ডের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের মর্যাদা না দেবার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার বিরোধী দলনেত্রীর সঙ্গে পুরপ্রধান সাক্ষাত করছেন না। নিয়মিতভাবে পুরসভার মাসিক অধিবেশন হচ্ছে না। বিরোধী কাউন্সিলাররা যে সমস্ত যে সমস্ত ওয়ার্ডের প্রতিনিধিত্ব করছেন সেই ওয়ার্ডগুলিতে উন্নয়নের ক্ষেত্রে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ওয়ার্ডের আয়তন এবং জনসংখার নিরিখে উন্নয়নখাতে অর্থ বরাদ্দের কথা বারেবারে বলা হলেও পুরপ্রধান তাতে কর্ণপাত করেনি। শিশুশিক্ষাকেন্দ্রের সহায়করা আট মাস ধরে সান্মানিক পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। উন্নয়নের রুপরেখা ঠিক করার ক্ষেত্রে বিপিএল এর তালিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অথচ সেই বিপিএল তালিকা ভুলে ভরা। এই বিপিএল তালিকা সংসধোনের ক্ষত্রে পুরকর্তৃপক্ষের তৎপরতার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

জলপাইগুড়ি পুরসভার বিরোধী দলনেত্রী এই অভিযোগ গুলি করেছেন, অপরদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরপ্রধান এইসব অভিযোগ সম্পুর্ন ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন।

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)