Showing posts with label তিস্তা নদী. Show all posts
Showing posts with label তিস্তা নদী. Show all posts
Friday, July 8, 2011
তিস্তা চড়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রদীপ
জলপাইগুড়ি, ৮ জুলাইঃ- তিস্তা চড়ে বসবাস করে বহু পরিবার, তারা শুধু বসবাস করে না সাথে চাষ বাস করে জীবিকা উপার্জন করে। বর্ষাকালে জল থাকায় এক রকম বাঁধের ওপর ফুট পাতে তাবু টাঙ্গিয়েই এক রকম থাকা খাওয়া এক রকম অনিশ্চিৎ জীবন। এরকমই একটি মরিচবাড়ি গ্রামে কানাইবালা বাড়ুই এর পরিবার। বয়স ৬০ বছর। স্বামী বহুদিন আগেই মারা গেছেন। মেয়েদের বিয়েও দিয়েছেন এখন সামনে প্রদীপের আলো বলতে প্রদীপ। প্রদীপ বাড়ুই এত প্রতিকূলতার মধ্যেও ৬৭ % নম্বর পেয়ে উত্তির্ন হয়ে ময়নাগুড়ি কলেজে বাংলায় অনার্স নিয়ে পড়ার জন্য আবেদন করেন। মেধা তালিকায় নামও ওঠে। এতেই বিপত্তি কানাইবালা দেবীর। মাথায় বাজ পড়ে কিভাবে ছেলের পড়ার খরচ চালাবেন। এব্যাপারে স্থানীয় স্বেচ্চাসেবী সংস্থা এগিয়ে আসে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাকে এককালীন অর্থ দিয়ে সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন এবং তিনি প্রদীপের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবাইকে আহ্ববান জানিয়েছেন।
Tuesday, May 17, 2011
তিস্তা সেচ প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ
জলপাইগুড়ি, ১৭ মেঃ- জলপাইগুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প নিয়ে জোটের বিধায়করা সরকারের কাছে দরবার করেন। কৃষিভিত্তিক আমাদের এই দেশ। এই সেচ প্রকল্প থেকেই চাষীরা নিয়মিত জল পেয়ে থাকার কথা। কিন্তু সেচ প্রকল্পের দীর্নদশায় জল পাওয়া তো দূর অস্ত, তিন ফসলি জমি এক ফসলি জমিতে পরিনত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের টানাপোড়েনের মধ্যে চরম ক্ষতির মুখে চাষী বন্ধুরা। পরিবর্তনের ফলে দেখার সেচ প্রকল্পর উন্নতি হয় কিনা।
Wednesday, September 8, 2010
"শহরের দিকে বিপদ্জনক ভাবে এগিয়ে আসছে তিস্তা"
জলপাইগুড়ি, ৮ সেপ্টেম্বরঃ জলপাইগুড়ি জেলার অন্যতম নদী তিস্তা এবার দিক পরিবর্তন করে শহরমুখী হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টিতে জলোচ্ছাসের ফলে শহর রক্ষাকারী বাঁধ ভীষনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। প্রতিবছর তিস্তা সংলগ্ন সুকান্তপল্লী এবং আরও কিছু এলাকাতে নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যার সৃষ্টি হয় সঙ্গে চাষাবাদের জমিজমাও ভেসে যায়। সেচ দফতর ও বন্যা নিয়ন্ত্রন দফতরের নানান আশ্বাস সত্বেও কোনভাবেই আটকানো যায়নি তিস্তার এই ভাঙন। যার ফলে তিস্তা বর্তমানে শহরমূখী হতে চলেছে। সেচদফতরের কর্তারা সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য ভাঙন মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
Monday, September 6, 2010
"জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর এলাকায় চোরাই কাঠ উদ্ধার"
জলপাইগুড়ি, ৬ সেপ্টেম্বরঃ গত শনিবার জলপাইগুড়ি জেলা সংলগ্ন পাহাড়পুর এলাকায় লক্ষাধিক টাকার কাঠ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ল দুজন। ধৃতরা ঐ এলাকারই বাসীন্দা, সুধীর রায় হাকিম (২৫) এবং মহম্মদ আলিয়ার রহমান। এদিন ধৃতরা খুব সন্তর্পনে পাহাড়পুর সংলগ্ন তিস্তা নদী দিয়ে নৌকা করে আসা চোরাই সেগুন কাঠ ঠেলাগাড়িতে করে পাচার করছিল। অপরদিকে বনকর্মীরা গোপনসূত্রে খবর পেয়েই সেখানে উপস্থিত হন এবং হাতেনাতে দুই পাচারকারীকে ধরে ফেলেন এবং লক্ষাধিক টাকার সেগুন কাঠ আটকান। বনদফতর থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলার বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকার দুজন বাসীন্দা নাকি এই পাচারকারীর প্রধান পান্ডা। তবে তারা এখনো পলাতক, অভিযুক্ত দুজনকে খোঁজা হচ্ছে।
Thursday, July 29, 2010
"আবার দেখা দিল তিস্তায় ভাঙন"
জলপাইগুড়ি, ২৯শে জুলাইঃ জলপাইগুড়ির সংলগ্ন রায়গঞ্জ ব্লকের টাকিমারি গ্রাম তিস্তা নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে নদীর ভাঙ্গনের সমস্যা না থাকলেও চলতি বছরে তা সমস্যা রুপে পরিনত হয়েছে। এই সমস্যায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। তিস্তা নদীর ভাঙন খাত দিনের পর দিন টাকিমারি গ্রামের দিকে সরে আসছে। দেখা দিয়েছে বিপুল পরিমানে সমস্যা। এর মধ্যেই গ্রামের ১০টি বাড়ি তিস্তা নদীতে তলিয়ে গিয়েছে। প্রচুর কৃষি জমি নষ্ট হয়েছে। ভাঙ্গন রোধ করার জন্য ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেচ দফতর।
Saturday, July 17, 2010
"পুনরায় দেখাদিল তিস্তার ভাঙন, প্লাবনের আশঙ্কা"
জলপাইগুড়ি, ১৭ই জুলাইঃ তিস্তা নদীর দুইপাশের ভাঙন শুরু হয়েছে। এই ভাঙ্গনে জেলা সদর জলপাইগুড়ি ও জলপাইগুড়ির সাথে লাগানো একটি জনপদ এলাকায় এটি প্রচন্ড বিপন্ন জনক আশঙ্কা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সাথে লাগানো রন্ধামালির গৌরিকোণ এলাকা থেকে গত তিন বছর ধরে ভাঙ্গন হতে থাকায় এই এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নেপাতি নদীর সঙ্গে তিস্তার ব্যবধান দারিয়েছে মাএ ২০ কিলোমিটার। জলপাইগুড়ি শহরের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা নদীতে এসে পড়েছে নেপাতি নদী। এই কারনে তিস্তা নদী যদি নেপাতি নদীর সঙ্গে সম্পূর্ণ মিশে যায় তার ফলে জলপাইগুড়ি শহর জলে প্লাবিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Thursday, March 25, 2010
"তিস্তার চরে বর্জ্য পদার্থ" নির্বিকার প্রশাসন
জলপাইগুড়ি, ২৫ মার্চঃ জলপাইগুড়ি সারদাপল্লী সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে নদীর জলের সঙ্গে প্রচুর বস্তা ভেসে এসেছে। যার মদ্ধে প্লাস্টকের ব্যাগ, ব্লাড ব্যাগ, ইউরিন ব্যাগ, সিরিঞ্জ সহ প্রচুর বর্জ্য পদার্থ আছে। গত বৃহষ্পতিবার বন্যা নিয়ন্ত্রনের কাজ করতে আসা সেচ দপ্তরের কর্মী এবং আধিকারীকরা এই ব্যাপারটি লক্ষ করেন। তারপর থেকে বর্জ্য পদার্থের পরিস্কারের দাবি জানিয়ে অনেক আর্জি, অনেক অভিযোগ করা হলেও আজ এক সপ্তাহ হয়ে গেল এখনও তারজন্য কোনরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রশাসন এখনও নির্বিকার। জলপাইগুড়ি জেলার মূখ্য আধিকারীকের বক্তব্য লিখিতভাবে তার কাছে এখনও কিছু যায়নি।
এদিকে সারদাপল্লী এলাকার মানুষরা বর্জ্য পদার্থের প্রতিকার না
হওয়াতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। স্থানীয় মৎসজীবীদের পেশায় আঘাত হয়েছে, তাদের কাছ থেকে কেও মাছ কিনছেনা, মাছ বিক্রি প্রায় বন্ধের মুখে। জলপাইগুড়ি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দ্রুত বর্জ্য পদার্থ পরিস্কার না হলে তারা আন্দোলনে নামবেন।
এদিকে সারদাপল্লী এলাকার মানুষরা বর্জ্য পদার্থের প্রতিকার না
হওয়াতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। স্থানীয় মৎসজীবীদের পেশায় আঘাত হয়েছে, তাদের কাছ থেকে কেও মাছ কিনছেনা, মাছ বিক্রি প্রায় বন্ধের মুখে। জলপাইগুড়ি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দ্রুত বর্জ্য পদার্থ পরিস্কার না হলে তারা আন্দোলনে নামবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
খবরে খুজুন
জলপাইগুড়ি
(208)
উত্তরবঙ্গ
(18)
করলা নদী
(18)
ডুয়ার্স
(12)
পশ্চিমবঙ্গ
(11)
মালবাজার
(9)
কদমতলা
(8)
দিনবাজার
(7)
কোচবিহার
(6)
তিস্তা
(6)
দেবনগর
(6)
পাঙ্গা সাহেববাড়ি
(6)
বাংলাদেশ
(6)
ভারত
(6)
সুকান্তনগর
(6)
A.C. College
(5)
দার্জিলিং
(5)
বেগুনটারি
(5)
ময়নাগুড়ি
(5)
রবীন্দ্রভবন
(5)
গোশালা মোড়
(4)
পুরাতন মসজিদ
(4)
বেরুবাড়ি
(4)
রায়কতপাড়া
(4)
স্পোর্টস কমপ্লেক্স
(4)
গোর্খাল্যান্ড
(3)
বিবেকানন্দ কলোনি
(3)
সার্কিট হাউস
(3)
অরবিন্দ নগর
(2)
কলেজ
(2)
কাদোবাড়ি
(2)
ডিবিসি রোড
(2)
ডেঙ্গুয়াঝার
(2)
বাবুঘাট
(2)
মন্ডলঘাট
(2)
মাদ্রাসা মাঠ
(2)
মোগিতনগর
(2)
রাজগঞ্জ
(2)
সারদা পল্লী
(2)
গোঁসাইরহাট
(1)
জলপাইগুড়ি স্টেশন
(1)
টাউনক্লাব
(1)
টিয়াপাড়া
(1)
ফাটাপুকুর
(1)
হুজুর সাহেবের মেলা
(1)