Showing posts with label উত্তরবঙ্গ. Show all posts
Showing posts with label উত্তরবঙ্গ. Show all posts

Thursday, November 10, 2011

গৌতম দেব তিস্তাসড়ক সেতু পরিদর্শন করতে গেলন

জলপাইগুড়ি ১০ নভেম্বরঃ বুধবার তিস্তাসড়ক সেতু সংস্কারের কাজ পরিদর্শন করতে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব। তারাতারি এই সেতু সংস্কারের কাজ শেষ করার জন ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করেছেন গৌতম বাবু। মন্ত্রী সেতু সংস্কারের কাজ পরিদশন করে জানান যে উত্তরবঙ্গ-র মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই তিস্তা সেতু।

Saturday, October 15, 2011

৪ঠা নভেম্বর মুজুরি চুক্তি নিয়ে আবার বৈঠক

জলপাইগুড়ি ১৫ই অক্টোবরঃ রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের তরাই এবং ডুয়ার্সের চা শ্রমিকদের মজুরি চুক্তির জন্য আগামি ৪ নভেম্বর কলকাতায় ত্রিপক্ষিক বৈঠক ডেকেছেন। এ ব্যাপারে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে শুক্রবার। চা শ্রমিকদের মজুরি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩১শে মার্চ। বর্তমানে ৬৭ টাকা চা শ্রমিকরা দৈনিক মজুরি পাচ্ছে। মজুরি চুক্তির জন্য আগে ৬টি বৈঠক হলেও কোন সমাধান সুত্র বের হয়নি। আইএনটিইউসি নেতা অলোক চক্রবর্তী জানিয়েছেন শ্রমিক পক্ষে যুক্তি সংগত দাবি মালিক পক্ষের মেনে নেওয়া উচিৎ বলে তিনি মনে করেন। 

Wednesday, May 25, 2011

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস জলপাইগুড়িতে

জলপাইগুড়ি,২৪ মেঃ- উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস গড়ে ওঠার কাজ শুরুই হয় নি। জলপাইগুড়ি ইঙ্গিনিয়ারিং কলেজ থেকে জমি পাওয়া গেছে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করেছিলেন ২০১১ সাল থেকে ক্লাস শুরু হবে। জলপাইগুড়ি ইঙ্গিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ্ জানিয়েছেন যতদিন কলেজ ক্যাম্পাস না হচ্ছে ততদিন তাদের ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু করা যেতে পারে। বুধবার কলেজ ক্যাম্পাসে মিলিত বৈঠক হবে। বৈঠকে ঠিক হবে পঠন পাঠন এবং কলেজ নির্মান বিষয়ক বিষয়।

Tuesday, October 19, 2010

"জেলায় হিন্দী শিক্ষার বিকাশ"

জলপাইগুড়ি, ১৯শে অক্টোবরঃ আর কিছুদিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গের আদিবাসী অধিষ্যুত এলাকার অন্তর্বতী ডিগ্রি কলেজগুলিতে রাজ্য সরকার হিন্দী শিক্ষার ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে চলেছে। গতকাল সোমবার জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে শিক্ষা দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং স্বরাষ্ট্রসচীবের মধ্যে এই আলোচনা হয়। বর্তমানে হিন্দী মাধ্যমের বিদ্যালয়গুলিতে হিন্দী শিক্ষক নিয়োগের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং জলপাইগুড়ি জেলায় উপজাতি সম্প্রদায় অন্তর্ভুক্ত চাকরী প্রার্থীদের জন্য দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে যে সমস্ত হিন্দী মাধ্যম (মাধ্যমিক) স্কুলগুলি রয়েছে সেগুলিকে উচ্চমাধ্যমিকে উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার।

Monday, September 27, 2010

ফেকো মেশিন

জলপাইগুড়ি, ২৭ শে সেপ্টেম্বরঃ- জলপাইগুড়ি সহ ডুয়ার্সের জন্য সুখবর মাএ ৪৫ কিলোমিটার দূরে চোখের ছানি আপারেশণের জন্য অত্যাধুনিক ফেকো মেশিন কলকাতার পর এই দ্বিতীয়, নর্থবেঙ্গল আই সেন্টারে বসল। এটি ছানি এবং লেন্স প্রতিস্থাপনের কাজে লাগবে। বিনামূল্য থেকে সল্পমুল্য, সল্পমুল্য থেকে ব্যয়বহুল সবরকম চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে এই উত্তরবঙ্গের আই সেন্টারে।

Saturday, July 17, 2010

"রাজ্য সরকার দ্বারা তিনটি জেলায় কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা"

জলপাইগুড়ি, ১৭ই জুলাইঃ রাজ্য সরকার উওরবঙ্গের তিন জেলায় কারিগরি শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগ গ্রহন করল। এই তিনটি জেলা হল জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং দার্জিলিং। এই জেলা গুলিতে ৪৯টি বিদ্যালয়ে বৃওিমুলক পাঠক্রম চালুর অনুমতি দিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার জলপাইগুড়ি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আনুষ্ঠানে ভোকেশনাল এডুকেশনের চেয়ারম্যান বলেন চলতি শিক্ষা বর্ষে বৃওিমূলক শিক্ষার জন্য রাজ্য সরকারের খরচ হবে ১৭৫ কোটি টাকা। জলপাইগুড়ি জেলায় ২০টি এবং কোচবিহার জেলায় ২২টি বিদ্যালয়ে বৃওিমুলক শিক্ষার পাঠক্রম চালুর অনুমতি দেওয়া হয়। অষ্টম  থেকে দশম শ্রেনীর উওীর্ণ শিক্ষার্থিরা এই পাঠক্রমে নিজেকে যুক্ত করতে পারবে। এই বৃওিমূলক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পথ আরো মসৃণ করা সরকারের লক্ষ্য।

Friday, July 9, 2010

"জলপাইগুড়ি শহরের উন্নতির জন্য তৈরি করা হবে প্রচুর টার্মিনাস"

জলপাইগুড়ি, ৯ই জুলাইঃ জলপাইগুড়ির বিভিন্ন পুরসভার এলাকা গুলিতে আধুনিক বাস টার্মিনাস গঠন করার জন্য রাজ্য পরিবহন দপ্তর জলপাইগুড়ির পুরসভাকে সাহায্য করবেন। বাস টার্মিনাস-এর জন্য তিন কোটি টাকা খরচ করা হবে। জলপাইগুড়িতে আধুনিক বাস টার্মিনাস তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পরিবহন মন্ত্রী। জলপাইগুড়ির সংলগ্ন গোশালা মোড়ে তারা এই বাস টার্মিনাস তৈরি করতে আগ্রহি। জলপাইগুড়ি হল উওরবঙ্গের একটি প্রশাসনিক রাজধানী। তাই মোহন বোস বলেন একটি বাস টার্মিনাসের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। সমস্যা সমাধানের জন্য আরও বাস টার্মিনাস এর প্রয়োজন হবে।

Thursday, July 1, 2010

"স্কুল, অফিসে ও সমস্ত প্রতিষ্ঠানে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার ছবি রাখাতে আন্দোলনে নামলেন সুভাষ মঞ্চ"

জলপাইগুড়ি, ১লা জুলাইঃ   জলপাইগুড়ি জেলায় প্রতিটি সরকারি অফিসে এবং বিদ্যালয়ে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার ছবি দেখতে পাওয়া যায়। এবারে সমস্ত অফিস আদালত এবং বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতেও ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার ছবি ও অবদান অন্তর্ভূক্ত করার জন্য আন্দোলনে নামলেন সুভাষ মঞ্চ। বুধবার 'সুভাষ মঞ্চ' পক্ষ থেকে জানান তারা সংগঠনগত ভাবে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার ছবি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেবেন। তারা সমাজের উন্নয়নে পঞ্চানন বর্মার অবদান এর কথা পুস্তিকার আকারে সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন বলেও জানিয়েছেন। এই উদ্যোগ গ্রহন করার পূর্বে সুভাষ মঞ্চর পক্ষথেকে অজিত বর্মন উওরবঙ্গ বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সাথে পরামর্শ করেছেন এবং তারা সকলেই এই মতবাদে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ঠাকুর পঞ্চাননের অমরকীর্তি প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যসূচিতে যাতে স্থান পায় সেই প্রচেষ্টাই তারা করে চলেছেন।  দাবির সমর্থনের জন্য সুভাষ মঞ্চর সদস্যরা সমস্ত স্থানে প্রচার চালাবেন এবং সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা তাদের কর্মসূচির উদ্দেশ্য ব্যাখা করবেন।

Friday, June 25, 2010

"জলপাইগুড়িতে এবার তৈরী হচ্ছে স্বাস্থ্য প্রসিক্ষণ কেন্দ্র"

জলপাইগুড়ি, ২৫ শে জুনঃ রাজ্য সরকার উওরবঙ্গের স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষনের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। উওরবঙ্গের স্বাস্থ্য কর্মীদের বিভাগীয় ট্রেনিং সেন্টার চালু হবে জলপাইগুড়িতে। এই সেন্টারে হেল্‌থ সুপারভাইজার এবং হেল্‌থ অ্যাসিস্ট্যান্টদের প্রসিক্ষণ দেওয়া হবে। বহুমুখী স্বাস্থ্য প্রকল্পের সাফল্যের জন্য প্রশিক্ষনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহন করছে। জলপাইগুড়ি জেলাকে বিভাগীয় ট্রেনিং সেন্টার হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ট্রেনিং সেন্টারে মোট ১২০ জনকে হেল্‌থ সুপারভাইজার এবং হেল্‌থ অ্যাসিস্ট্যান্টদের প্রসিক্ষণ দেওয়া হবে। জলপাইগুড়িতে এই ট্রেনিং সেন্টারটি চালু হলে উওরবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিসেবার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

Saturday, June 19, 2010

জলপাইগুড়িতে আবহাওয়া দপ্তরের নিজস্ব ভবন"

জলপাইগুড়ি, ১৯ই জুনঃ  জলপাইগুড়ি জেলার সংলগ্ন এলাকা গোশালা মোড়ে জলপাইগুড়ির কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের নিজেস্ব ভবন তৈরীর প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে উওরবঙ্গ এবং সিকিম এলাকার আবহাওয়ার সর্ম্পকে খবর পাওয়া যাবে এর মাধ্যমে। এবং তা জলপাইগুড়ি জেলার  বাসিন্দাদের জন্য একটি সুখবর। সরকারি সূএে জানা যায় জলপাইগুড়ি জেলায় খুব শীঘ্রই আবহাওয়া দপ্তটির নির্মানের কাজ শুরু হবে।

Friday, June 18, 2010

"জলপাইগুড়িতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কমাতে উদোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর"

জলপাইগুড়ি, ১৮ই জুনঃ  উওরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে ম্যালেরিয়ার রোগের প্রকোপ দেখা যায়। বিভিন্ন ছয়টি রাজ্য গুলির মধ্যে জলপাইগুড়িতে এই রোগটি বেশি মাএায় দেখা যায়। ম্যালেরিয়া রোগের খুব শীঘ্রই নিবারনের জন্য নিদের্শ দিয়েছেন 'স্বাস্থ্য মন্ত্রী'। গত বছর জলপাইগুড়িতে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২২জন লোকের। এ বছর মৃত্যু হয়েছে ৩জন লোকের। রাজ্যের সবচেয়ে ম্যালেরিয়া প্রবণ জেলা জলপাইগুড়ি। ২০০৯ সালে নমুনা সংগ্রহ করে ৬২.৭ শতাংশতে মারাত্মক ম্যালেরিয়া জীবানু পাওয়া যায়। এ বছর ৪৬.৫ শতাংশ ম্যালেরিয়া রোগের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। ম্যালেরিয়া রোগ নিরাময়ের জন্য স্বাস্থ্য দপ্তর ২৩ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা দিয়েছে। এবছরে গত তিন মাসে ম্যালেরিয়ার নমুনার শতাংশ ৫৭.৬ পাওয়া যায়। দিন দিন উওরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা গুলিতে এই রোগের প্রকপ বেড়েই চলছে যথা সম্ভব খুব শীঘ্রই এর নিবারন করা প্রয়োজন।

Thursday, June 3, 2010

"জলপাইগুড়িতে পুনরায় বোর্ড দখল করল কংগ্রেস"

জলপাইগুড়ি, ৩ জুনঃ   জলপাইগুড়ির পুরসভার নির্বাচনে পুনরায় বোর্ড দখল করল কংগ্রেস। ২০০৫ এর তুলনায় এবার জলপাইগুড়িতে কংগ্রেস দুটি আসন বেশি পেয়েছেন। কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ১৬টি, সিপিএম আর ৭টি এবং আরএসপি ১টি আসন পেয়েছে। জেলাশাসকের দপ্তরে বুধবার ভোট গণনায় প্রথম রাউন্ড থেকে কংগ্রেস প্রার্থীরা এগিয়ে ছিল। তৃণমূলের ফল জলপাইগুড়ির পুরসভাতে খুবই হতাশাজনক। বিগত নির্বাচনে জেতা ৪নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের হাত ছাড়া হল এবার। জলপাইগুড়ির পুরসভার পুরপ্রধান মোহন বোস ৪৩৫ ভোটের ব্যবধানে ৭ নং ওয়ার্ডে জয়ী হন। অন্য দিকে উপ পুরপ্রধান পিনাকি সেনগুপ্ত ৭৩১ ভোটে জয়ী হয়েছেন। এবার জলপাইগুড়ির পুরসভার ভোটে সবচাইতে বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন সিপিএমের ২৩ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী নির্মাল্য সরকার। তিনি মোট ৮৪৪টি ভোটে জয়ী হন। ১৭ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেএী পাপিয়া পাল ৭৩৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে।

       উওরবঙ্গে পুরসভার ভোটের ফলাফলঃ
________________________________
কোচবিহার
মোট আসনঃ-২০,  বামফ্রন্টঃ- ০৯,  কংগ্রেসঃ- ০৮,  তৃণমূলঃ- ০৩,
মাথাভাঙ্গা
মোট আসনঃ- ১২, বামফ্রন্টঃ- ০৬,  তৃণমূলঃ- ০৬,
জলপাইগুড়ি
মোট আসনঃ- ২৫,  বামফ্রন্টঃ- ০৮,  কংগ্রেসঃ- ১৬,  তৃণমূলঃ- ০১,
দিনহাটা
মোট আসনঃ- ১৫,  বামফ্রন্টঃ- ১৩,  তৃণমূলঃ- ০২,
তুফানগঞ্জ
মোট আসনঃ- ১২,  বামফ্রন্টঃ- ০৮,  তৃণমূলঃ- ০৪,

Tuesday, June 1, 2010

"চা বাগানের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ"

জলপাইগুড়ি, ১ জুনঃ  উত্তরবঙ্গেঁর তিন লক্ষাধিক চা শ্রমিক কর্মচারীর চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির দাবি করল আই.এন.টি.ইউ.সি অনুমোদিত ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব প্ল্যানটেশন ওয়ার্কার্সরা।  দিন দিন চা বাগানের স্বাস্থ্য পরিসেবা ভেঙে পরছে বলে তারা মনে করেন। চা শিল্পের মালিকরা চা শিল্প থেকে দিন দিন কোটি টাকা লাভ করছে অথচ শ্রমিকদের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহন করছে না। বাগিচা শ্রম আইন অনুসারে শ্রমিকদের চিকিৎসা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সহায়তা করা মালিক পক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু তা তারা কোনো অংশেই পালন করছেন না। চা-বাগানের মালিকরা 'হাসপাতাল' নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা তা নির্মান করতে পারেনি আজ ১১ বছর পরেও। চা বাগানে ডাক্তারের পদ শূন্য থাকলেও কোন ডিগ্রী ধারী ডাক্তার নিযুক্ত করা হয়নি চা বাগানে। পানীয় জলের অভাবে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের সদস্যরা মারা যান। চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তান দের উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা এবং হিন্দি ভাষার মাধ্যমে কলেজ স্থাপনের দাবি করেছেন 'আই.এন.টি.ইউ.সি'। এই সংস্থা চান সরকার এ বিষয়ে একটা উদ্যোগ গ্রহন করুক।

Monday, May 24, 2010

"বর্ষা কালে তিস্তাপাড়ের ভাঙন নিয়ে অতঙ্ক জনগনের মধ্যে"

জালপাইগুড়ি, ২৪ মেঃ বর্ষার শুরুতে জলপাইগুড়ি সংলগ্ন সুকান্তনগর, সারদাপল্লি, এবং বিবেকান্দ কলোনির মানুষের মধ্যে অতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও ভাঙন প্রতিরোধের পর্যাপ্ত অর্থ পাওয়া যায়নি। ভাঙন সমস্যার কথা উওরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সভায়, তুলে ধরা হলে পর্যাপ্ত অর্থ হিসাবে ৭৪ লক্ষ টাকা পওয়া যায়। তিস্তা ভাঙনের তীব্রতা দেখা গিয়ে ছিল গত বছর। তিস্তা পাড়ের সংলগ্ন গ্রামগুলি ছিল কৃষি নির্ভর। তাদের আবাদি জমি ও বসতি জমি-জমার মধ্যে নদীর গর্ভে চলে যাওয়ার ফলে অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জীবনে। ভাঙন ক্রমশ শহরের দিকে এগিয়ে আসায় শহর বাসীও ১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা মনে করে আতঙ্কিত। ইতিমধ্যে বর্ষার ভাঙন প্রতিরোধের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি আজও।

Saturday, May 22, 2010

"নার্বাড ২৫ কোটি দেবে বন্যা নিয়ন্ত্রনকে"

জলপাইগুড়ি, ২২ মেঃ- উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনকে ২৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নাবার্ড। জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির সেচ ডিভিশনের ভাঙন রোধের জন্য। উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনের চেয়ারম্যান অজয় বসাক জানান  দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ব্রক্ষপুএ বোর্ডের বৈঠকে ব্রক্ষপুএ বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য ১০ কোটি মঞ্জুর করেছেন। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং আলিপুরদুয়ার এর সেচ ডিভিশনে ব্রক্ষপুএ বোর্ড পাঁচটি প্রকল্পের কাজ করেছেন। অজয় বাবু জানান নাবার্ড থেকে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে,  শিলিগুড়ি সেচ ডিভিশনে মহানন্দা এবং বালাসন নদী নিয়ন্ত্রনের জন্য ৫ কোটি, জলপাইগুড়ির জন্য ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বর্ষার পর বন্যা নিয়ন্ত্রনের কাজ করা হবে। উওরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, রংধামালি এলাকায় তিস্তা নদীর গতি পরিবর্তন হয়েছে। রংধামালি এলাকায় নদী ভাঙন এবং বাঁধ নির্মানের কাজ হবে।

Friday, April 9, 2010

"জলপাইগুড়ি হাসপাতাল চত্বরে হোমিওপ্যাথি আউটডোর"

জলপাইগুড়ি, ৯ এপ্রিলঃ   জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল চত্বরে শুরু হতে চলেছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আউটডোর। আগামি ১১ এপ্রিল উদ্‌বোধন হবে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধীনে উত্তরবঙ্গে এই প্রথম সরকারী হাসপাতালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিভাগ চালু হচ্ছে। একাধিক চিকিৎসার সুযোগ পাওয়ার জন্য জেলাবাসী খুশি। হাসপাতাল চত্বরেই আউটডোর ভবন তৈরী করা হয়েছে, সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত আউটডোর খোলা থাকবে। ১১ তারিখ উদ্‌বোধন করবেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আনওয়ারুল হক। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যোগেশ বর্মন,  জলপাইগুড়ি বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়, মোহন বোস, মহেন্দ্র কুমার রায় এবং আরও অনেকে।

Saturday, March 20, 2010

'কালু সাহেবের মেলা'

জলপাইগুড়ি, ২০ মার্চঃ জলপাইগুড়ি শহরে অবস্থিত কালু সাহেবের দরগা উত্তরঙ্গের দরগা গুলির মধ্যে অন্যতম। প্রতিবারের মত এই বারেও তাই কালু সাহেবের মৃত্যুদিনে এই দরগায় উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে আজ। বলা হয় যে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের সর্বধর্মনির্বিশেষ মানুষেরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনের জন্য এই দরগায় প্রার্থনা করতে আসে। তাই আজ পুরাতন মসজিদ প্রাঙ্গনে কালু সাহেবের দরগায় প্রার্থনা জানাতে বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছেন।
কালু সাহেবের দরগায়-পুরাতন মসজিদ

Monday, January 4, 2010

"সার্কিট বেঞ্চ উদ্‌বধোনের দাবীতে অবস্থান সত্যাগ্রহ"

জলপাইগুড়ি, ৩ জানুয়ারীঃ  উত্তরবঙ্গের মানুষের স্বার্থে দ্রুত কোলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের উদ্‌বধোনের দিন ঘোষনার দাবিতে সার্কিট বেঞ্চের অস্থায়ী ভবন সংলগ্ন এলাকাতে ফরওয়ার্ড ব্লক সোমবার থেকে লাগাতার অবস্থান সত্যাগ্রহ শুরু করেছে। সরকারি ভাবে অনেকদিন আগেই ঘোষণা করা হয়েছে জলপাইগুড়িতে কোলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ চালু করা হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, জলপাইগড়ি জেলা পরিষদের বাংলোতে ২০০৬ সালের ৬ জুলাই পরিকাঠামো নির্মান করা হয়। দীর্ঘ সময় অতিক্রম করার পর আজ পর্যন্ত উদ্‌বধোনের দিন  ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে আইনি পরিষেবা ব্যাবস্থাকে সমৃদ্ধ করার জন্য সার্কিট বেঞ্চ চালু করা অত্যন্ত জরুরী। উদ্‌বধোনের দিন ঘোষনার দাবীতে লাগাতার অবস্থান সত্যাগ্রহ চলবে বলে জানা গেছে। 

খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)