Showing posts with label সুকান্তনগর. Show all posts
Showing posts with label সুকান্তনগর. Show all posts

Wednesday, September 8, 2010

"শহরের দিকে বিপদ্‌জনক ভাবে এগিয়ে আসছে তিস্তা"

জলপাইগুড়ি, ৮ সেপ্টেম্বরঃ জলপাইগুড়ি জেলার অন্যতম নদী তিস্তা এবার দিক পরিবর্তন করে শহরমুখী হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টিতে জলোচ্ছাসের ফলে শহর রক্ষাকারী বাঁধ ভীষনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। প্রতিবছর তিস্তা সংলগ্ন সুকান্তপল্লী এবং আরও কিছু এলাকাতে নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যার সৃষ্টি হয় সঙ্গে চাষাবাদের জমিজমাও ভেসে যায়। সেচ দফতর ও বন্যা নিয়ন্ত্রন দফতরের নানান আশ্বাস সত্বেও কোনভাবেই আটকানো যায়নি তিস্তার এই ভাঙন। যার ফলে তিস্তা বর্তমানে শহরমূখী হতে চলেছে। সেচদফতরের কর্তারা সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য ভাঙন মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।

Wednesday, July 7, 2010

"তিস্তার জলে প্লাবিত সুকান্তনগর কলোনি"

জলপাইগুড়ি, ৭ই  জুলাইঃ   প্রতিবার তিস্তা যেন নবরুপ ধারন করে, ফুলে ফেপে ওঠে গর্জন করতে করতে এই বর্ষার মরশুমে। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন সুকান্তনগর কলোনিতে প্লাবন হওয়াটা একটা সুপরিচিত চিত্র। এবছরও সেই তিস্তার জলে প্লাবিত সুকান্তনগর এলাকা। আর প্রতি বছর সেই একই রুপে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে ঐ এলাকার মানুষদের।
গতবছর এবং বর্ষা শুরুর আগে এই এলাকাতে তিস্তার পাড় বাঁধানো হলেও বন্যার প্রকোপ থেকে রক্ষা পেলনা সুকান্তনগর কলোনি। এই এলাকার একজল প্রবীন বাসীন্দা জানিয়েছেন যে, তাদের প্রতিবছর এই বন্যার কবলে পড়তে হয়। বর্ষার মরশুম প্রতিবছর তাদের আতঙ্কিত করে তোলে। এই সময় এই এলাকার বাসীন্দারদের প্রায় না খেয়েই থাকতে হয়। এই ব্যাপারে বন্যা কর্তৃপক্ষ কি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করবে না এটাই তাদের এখন চিন্তার বিষয়।

প্লাবিত সুকান্তনগর কলোনি

Monday, May 24, 2010

"বর্ষা কালে তিস্তাপাড়ের ভাঙন নিয়ে অতঙ্ক জনগনের মধ্যে"

জালপাইগুড়ি, ২৪ মেঃ বর্ষার শুরুতে জলপাইগুড়ি সংলগ্ন সুকান্তনগর, সারদাপল্লি, এবং বিবেকান্দ কলোনির মানুষের মধ্যে অতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও ভাঙন প্রতিরোধের পর্যাপ্ত অর্থ পাওয়া যায়নি। ভাঙন সমস্যার কথা উওরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সভায়, তুলে ধরা হলে পর্যাপ্ত অর্থ হিসাবে ৭৪ লক্ষ টাকা পওয়া যায়। তিস্তা ভাঙনের তীব্রতা দেখা গিয়ে ছিল গত বছর। তিস্তা পাড়ের সংলগ্ন গ্রামগুলি ছিল কৃষি নির্ভর। তাদের আবাদি জমি ও বসতি জমি-জমার মধ্যে নদীর গর্ভে চলে যাওয়ার ফলে অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জীবনে। ভাঙন ক্রমশ শহরের দিকে এগিয়ে আসায় শহর বাসীও ১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা মনে করে আতঙ্কিত। ইতিমধ্যে বর্ষার ভাঙন প্রতিরোধের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি আজও।

Thursday, April 1, 2010

"অর্থাভাবে ভাঙনগ্রস্ত এলাকার সংস্কার হচ্ছে না সুকান্তনগর কলোনিতে"

জলাপাইগুড়ি, ১ এপ্রিলঃ   জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন সুকান্তনগর কলোনিতে বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গেছে গত মাসের শেষের দিকে। কিন্তু ঐ এলাকার এখনো প্রায় অর্ধেকের বেশি ভাঙনগ্রস্ত পাঁড় সংস্কার করতে পারছেন না সেচ দপ্তর। বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য  সেচ দপ্তর উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলা তহবিল থেকে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা পেয়েছিল। গত বছর বর্ষায় তিস্তার ভাঙনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এতটাই বেশি যে বরাদ্দ অর্থে বন্যা নিয়ন্ত্রনের কাজ করা সম্ভব হবে না। এখনও পর্যন্ত তিস্তার ২ নং স্পার এবং সুকান্তনগর কলোনির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সংস্কার হয়ে গেছে। ভাঙনগ্রস্ত আরও ১৪০০ মিটারের মত এলাকার কাজ এখনও বাকি আছে। ঐ এলাকার ভাঙন রোধে চার কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন সেচ দপ্তর এবং এখনও পর্যন্ত যতখানি কাজ করা সম্ভব হয়েছে টাকা পেলে অবশিষ্ট অংশের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন।
সুকান্তনগর বাসিরা এখন আতঙ্কিত। এবারেও আবাদি জমি তিস্তার গর্ভে যাবে বলে তাদের আশঙ্কা। জলপাইগুড়ি বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায় প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থানের জন্য সেচমন্ত্রী সুভাষ নস্করের দ্বারস্থ হবেন।

Tuesday, February 23, 2010

"তিস্তার ভাঙনের সংস্কার"

জলপাইগুড়ি, ২৩ ফেব্রুয়ারিঃ   গতবছর বর্ষায় তিস্তার ভাঙনের জন্য সুকান্তনগর কলোনি এবং বিবেকানন্দ কলোনি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেচ দফতর থেকে বলা হয়েছিল এবছর সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তাই দেরি করে শুরু হলেও গতকাল সোমবার তিস্তা নদীর পাড় বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়। তিনি নারকেল ফাটিয়ে এই কাজের সূচনা করেন।

Tuesday, February 9, 2010

"তিস্তার ভাঙ্গনের সংস্কার চাইছে সুকান্তনগর"

জলপাইগুড়ি, ৯ ফেব্রুয়ারিঃ প্রতি বছর বর্ষার সময় তিস্তা সংলগ্ন এলাকা সুকান্ত কালোনি বিপর্যস্ত হয়ে পরে। গতবছর তিস্তার গর্ভে ২০০ একরের বেশি আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। সেবছরই বলা হয়েছিল শীতের সময় পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিন্তু এবছর এখন ফেব্রুয়ারি মাস চলাকালিনও সেচ দফতরের কর্তাদের দেখা যায়নি সেই এলাকায়। সুকান্তনগরের বাসিন্দারা তাই এখন উদ্‌বিগ্ন কারন আগামি বর্ষার আগে ভাঙ্গনের কাজে হাত না দিলে তাদের গ্রামের আর অস্তিত্ব থাকবে না, গত বছরের ভাঙ্গনের ঘটনা অন্তত তাই বলে।


এদিকে সেচ দফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে সুকান্তনগর কলোনি এবং সংলগ্ন এলাকা বিবেকানন্দ কলোনিতে ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু করা হবে। এই কাজ কবে শুরু হয় এখন সেটাই দেখার বিষয়।








খবরে খুজুন

জলপাইগুড়ি (208) উত্তরবঙ্গ (18) করলা নদী (18) ডুয়ার্স (12) পশ্চিমবঙ্গ (11) মালবাজার (9) কদমতলা (8) দিনবাজার (7) কোচবিহার (6) তিস্তা (6) দেবনগর (6) পাঙ্গা সাহেববাড়ি (6) বাংলাদেশ (6) ভারত (6) সুকান্তনগর (6) A.C. College (5) দার্জিলিং (5) বেগুনটারি (5) ময়নাগুড়ি (5) রবীন্দ্রভবন (5) গোশালা মোড় (4) পুরাতন মসজিদ (4) বেরুবাড়ি (4) রায়কতপাড়া (4) স্পোর্টস কমপ্লেক্স (4) গোর্খাল্যান্ড (3) বিবেকানন্দ কলোনি (3) সার্কিট হাউস (3) অরবিন্দ নগর (2) কলেজ (2) কাদোবাড়ি (2) ডিবিসি রোড (2) ডেঙ্গুয়াঝার (2) বাবুঘাট (2) মন্ডলঘাট (2) মাদ্রাসা মাঠ (2) মোগিতনগর (2) রাজগঞ্জ (2) সারদা পল্লী (2) গোঁসাইরহাট (1) জলপাইগুড়ি স্টেশন (1) টাউনক্লাব (1) টিয়াপাড়া (1) ফাটাপুকুর (1) হুজুর সাহেবের মেলা (1)